নতুন আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়েছে

মিয়ানমার থেকে গত পাঁচ সপ্তাহে পাঁচ লাখ সাত হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও), জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনইচসিআর ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য থেকে নতুন আসা রোহিঙ্গাদের এই সংখ্যাটি অনুমান করা হচ্ছে।
Rohingya Children
ত্রাণ সংগ্রহের জন্য হাত বাড়িয়ে রয়েছে রোহিঙ্গা শিশুরা। উখিয়ার বালুখালি এলাকায় এই ছবিটি তোলা হয়। ছবি: রাশেদ সুমন

মিয়ানমার থেকে গত পাঁচ সপ্তাহে পাঁচ লাখ সাত হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও), জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনইচসিআর ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য থেকে নতুন আসা রোহিঙ্গাদের এই সংখ্যাটি অনুমান করা হচ্ছে।

গত ২৫ আগস্টের পর থেকে কক্সবাজারে প্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের সংখ্যার দিকে নজর রাখছে আইএমও। রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নিয়ে রবিবার তারা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে কক্সবাজারের চার উপজেলায় গত শনিবার পর্যন্ত চার লাখ ৫৩ হাজার ৩০০ জন রোহিঙ্গা আসার কথা জানানো হয়েছে।

এছাড়াও ইউএনএইচসিআর ৩৫ হাজার জন ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির কর্মকর্তারা ১৮ হাজার ৭০০ জন রোহিঙ্গার তথ্য দিয়েছে। সব মিলিয়ে ধারণা করা হচ্ছে নতুন আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

তবে গত দুই দিন থেকে রোহিঙ্গাদের প্রবেশের হার কমেছে বলে এক রিপোর্টে জানা গেছে। সিচুয়েশন রিপোর্ট: রোহিঙ্গা ক্রাইসিস শিরোনামের এই প্রতিবেদনটি আইএমও’র নেতৃত্বে বিভিন্ন দাতা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত ইন্টার সেকশন কোআরডিনেশন গ্রুপ (আইএসসিজি) তৈরি করেছে। গত ২১ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রোহিঙ্গা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় ৩৭ শতাংশই এসেছেন পায়ে হেঁটে আর নৌকায় এসেছেন প্রায় ৩৪ শতাংশ।

আইএমও রবিবার বলেছে, আগামী ৮ অক্টোবর তারা রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে পরবর্তী প্রতিবেদন প্রকাশ করবে।

Click here to read the English version of this news

 

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

Some government employees are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Centre has found.

6h ago