বিপর্যয়ে নেমে দলকে টানলেন ইয়াসির

সোমবার বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের এলিমিনিটের ম্যাচে ফরচুন বরিশালকে ১৫১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ঢাকা
Yasir Ali Chowdhury
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ল বেক্সিমকো ঢাকা। সেই চাপ সরাতে দাঁড়ালেন মুশফিকুর রহিম। তবে কাজটা অসমাপ্ত রেখেই বিদায় নিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ইয়াসির আলি রাব্বির ফিফটিতে লড়াইয়ের পূঁজি পেয়েছে তারা

সোমবার বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের এলিমিনিটের ম্যাচে ফরচুন বরিশালকে ১৫১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে ঢাকা। এতে বড় অবদান ইয়াসিরের। ৪৩ বলে তিনি করেন ৫৪ রান। মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ৪৩ রানের ইনিংস। আকবর ৯ বলে করে যান ২১ রান। বরিশালের বোলাররা প্রায় সবাই রান আটকে দেওয়ার কাজটা করেছেন দারুণ। ২৩ রানে ২ উইকেট নিয়ে সেরা অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ। তাসকিন আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। 

টস হেরে ব্যাট করতে গিয়ে কয়েকটি ডট বল খেলার পরই নিজের উপর চাপ নিয়ে ফেলেন নাঈম শেখ। মেহেদী হাসান মিরাজকে সুইপ করে সেই চাপ সরাতে গিয়ে টপ এজ হয়ে যায়। শর্ট লেগে সহজ ক্যাচ ধরেন তাসকিন আহমেদ।

আগের ম্যাচে ঝড় তোলা নাঈম এবার ফেরেন ১০ বলে ৫ রান করে। ৬ রানেই প্রথম উইকেট হারিয়ে ফেলে ঢাকা। পরের ওভারেই নেই আল-আমিন জুনিয়র। তাসকিনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করে ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে।

বিপদে নেমে পরিস্থিতির দামি মেটানোর দায় পড়ে অধিনায়ক মুশফিকের কাঁধে। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি সাব্বির। বল কিছুটা গ্রিপ করছিল, এমন উইকেটে অনেকটা ধুঁকলেন তিনি। হাঁসফাঁস করে ১৪ বল খেলে ৮ রান করে  বোল্ড হয়ে যান সোহরাওয়ার্দি শুভর বলে।

থিতু হতে সময় নেওয়া মুশফিক সঙ্গী হিসেবে পেয়ে যান ইয়াসিরকে। দুজনে মিলে পেয়ে যান ৫০ রানের জুটি। তবে যখনই ইনিংসটা বড় করে দলকে নিরাপদ জায়গায় নিবেন তখনই গড়বড়। কামরুল ইসলাম রাব্বিকে টার্গেট করেছিলেন ঢাকা অধিনায়ক। স্কুপ করে তাকে এক চার মারার পর মিড উইকেট দিয়ে স্লগ সুইপের মতো খেলতে চেয়েছিলেন। টাইমিংয়ে গোলমাল হয়ে ক্যাচ উঠে সোজা বোলারের হাতে। মুশফিকের ৩০ বলে ৪৩ রানের ইনিংস তাই থেকেছে আক্ষেপ হয়ে।

পরে ইয়াসিরের সঙ্গে মিলে ঝড় তুলার চেষ্টা করেন আকবর আলি। টুর্নামেন্ট জুড়ে দারুণ কার্যকর নৈপুণ্য দেখানো এই ব্যাটসম্যান এবারও রাখলেন অবদান।মাত্র ৯ বলে করেন ২১। তবে মিরাজের বলে তিনি আউট হয়েছেন ভুল সময়ে। ছক্কার চেষ্টায় ওয়াইড লং অনে ক্যাচ গেছে তার।

ইয়াসির এক প্রান্তে টিকে থাকায় কাজ হয়েছে বেশ ভালো। মুক্তারের সঙ্গে তিনি যোগ করেন আরও ৩৫ রান। তুলে নেনে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ফিফটি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর 

বেক্সিমকো ঢাকা
: ২০ ওভারে ১৫০/৮  (নাঈম, সাব্বির ৮, মুশফিক ৪৩, ইয়াসির ৫৪ , আকবর ২১ , মুক্তার ৬* , রবি ৫, নাসুম ১ ; তাসকিন ১/২১ , মিরাজ   ২/২৩, সুমন ০/৩৩, শুভ ১/৩২, কামরুল ২/৪০ )

Comments