মুক্তিযুদ্ধ

২৮ এপ্রিল ১৯৭১: গণতান্ত্রিক ও মুক্তিকামী মানুষকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান তাজউদ্দীন আহমদের

মুক্তিযুদ্ধের ২৮ এপ্রিল ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এদিন স্বাধীন বাংলা বেতারে এক বিবৃতিতে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক ও মুক্তিকামী মানুষকে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এদিন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী অবিলম্বে গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের কাছে একটি চিঠি পাঠান।

মুক্তিযুদ্ধের ২৮ এপ্রিল ছিল গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এদিন স্বাধীন বাংলা বেতারে এক বিবৃতিতে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ বিশ্বের সব গণতান্ত্রিক ও মুক্তিকামী মানুষকে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। এদিন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী অবিলম্বে গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের কাছে একটি চিঠি পাঠান।  

এদিন ঢাকার বেশ কয়েকটি স্থানে গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। ঢাকার কল্যাণপুরে অবাঙালি বিহারি ও হানাদারদের দুটি দল পৈশাচিক গণহত্যা চালায়।

অন্যদিকে মাধবপুরে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি যুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর প্রায় ৩০০ জন নিহত হয়।

প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের বিবৃতি

স্বাধীন বাংলা বেতারে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এক বিবৃতিতে বিশ্বের সকল গণতন্ত্রকামী রাষ্ট্র ও মুক্তিকামী মানুষকে বাংলাদেশের মানুষকে অর্থ, অস্ত্র দিয়ে  সাহায্য করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে বৈশ্বিক সাহায্য জরুরি। আমি বিশ্বের সকল বাঙালি ও মুক্তিকামী মানুষকে বাংলাদেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করছি।’

২৮ এপ্রিল সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী এলেক্সি কোসিগিন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের কাছে পাঠানো এক বার্তায় বলেন, ‘অবিলম্বে পূর্ব পাকিস্তানে গণহত্যা বন্ধ করতে হবে।’

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এদিন ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে জরুরি তলব করে পাকিস্তানি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসময় ভারতের রাষ্ট্রদূতকে সতর্কতা ও হুমকি দেওয়া হয়।

এদিন ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ-সহায়ক শিল্পী সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী সমিতির সভাপতি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, সহ-সভাপতি গোপাল হালদার, প্রেমেন্দ্র মিত্র, বিষ্ণু দে, মনোজ বসু, সরযুবালা দেবী, সুচিত্রা মিত্র, সুশোভন সরকার ও সম্পাদক দীপেন্দ্র নাথ চট্টোপাধ্যায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তি চেয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

২৮ এপ্রিল বিশ্ব শান্তি পরিষদের সম্মেলনে প্রদত্ত এক প্রস্তাবে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে নিরীহ মানুষদের উপর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতন বন্ধ করার জন্য বিশ্ব জনমত ও বিশ্বের সর্বত্র শান্তিকামী রাষ্ট্র ও মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একই সঙ্গে বাংলার গণ মানুষের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুরক্ষা দেয়ার জন্য পাকিস্তান সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। কারণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই বাংলাদেশের জনগণের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি।

ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ ও কল্যাণপুরে গণহত্যা

২৮ এপ্রিল ভোরে অবাঙালি বিহারি ও হানাদারদের দুটি দল মিরপুর ও মোহাম্মদপুর থেকে এসে কল্যাণপুরের গণহত্যা চালায়। কল্যাণপুর থেকে পাইকপাড়া, পীরেরবাগ, আহম্মদনগর, শ্যামলী, টেকনিক্যাল, গাবতলী থেকে গৈদ্দারটেক পর্যন্ত পৈশাচিক গণহত্যা চালায় বিহারি ও পাকিস্তানি হানাদারেরা। এসময় বিহারিদের একটি দল মিরপুর থেকে বাঙালি নিধন করতে করতে পাইকপাড়া-পীরেরবাগ হয়ে কল্যাণপুরে চলে আসে, অপর আরেকটি দল মোহাম্মদপুরের আসাদগেট থেকে হত্যাযজ্ঞ চালাতে চালাতে কল্যাণপুরে ঢোকে। তারা রড, লাঠি, সড়কি, তলোয়ার, কুড়াল, বল্লম, চাপাতি ও বন্দুক হাতে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে লুটপাট করে, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে এবং ভয়াবহ নির্যাতনের পর নিরীহ মানুষদের জবাই করে হত্যা করে। তাদের এই গণহত্যা থেকে বাদ যায়নি শিশুরাও।

২৮ এপ্রিল রাতে ঢাকার সূত্রাপুর এলাকার সাধু বাবা শ্রীধাম পালের বাড়ি থেকে শ্রীধাম পাল এবং তার বাড়িতে অবস্থানরত ২০ জনকে ধরে নিয়ে যায় রাজাকার ও পাকিস্তানি হানাদারেরা। এরপর তাদের বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে গুদারাঘাটে হাত, পা, চোখ বেঁধে প্রচণ্ড নির্যাতনের পর গুলি করে হত্যা করে লাশগুলো নদীতে ফেলে দেয়।

২৮ এপ্রিল মুক্তিবাহিনীর গেরিলারা ভোরে ঢাকার মিরপুর ও মোহাম্মদপুরে টহলদার হানাদার বাহিনীর সদস্যদের ওপর আক্রমণ চালায়। এসময় পাল্টা গুলি চালালে ৭ জন গেরিলা যোদ্ধা শহীদ হন।

এদিন একটি পত্রিকায় দেয়া এক বিবৃতিতে শান্তি ও কল্যাণ পরিষদের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নুরুজ্জামান কল্যাণ পরিষদের সব সদস্যকে সেনাবাহিনীর পাশে থেকে মুক্তিবাহিনী নামধারী দুষ্কৃতকারীদের সমূলে উৎখাতের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘শত্রুদের প্রশ্রয় দিলে বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত পাকিস্তান তারা ধ্বংস করে দেবে। তাদের প্রচেষ্টা সফল হলে আমরা দাসে পরিণত হব। আমাদের উচিৎ সেনাবাহিনীকে পূর্ণ সহযোগিতা করা।’

ঢাকার বাইরে মুক্তিবাহিনীর প্রতিরোধ যুদ্ধ

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ২৮ এপ্রিল মৌলভীবাজারের মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধ ব্যুহের ওপর তীব্র আক্রমণ চালায়। এদিন প্রচণ্ড গোলাগুলি বিনিময়ের পর গোলাবারুদ ও রসদ ফুরিয়ে গেলে মুক্তিযোদ্ধারা ‌ওই স্থান ত্যাগ করে সিলেটের মনতলায় চলে আসে। মনতলার যুদ্ধে  পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর প্রায় ৩০০ জন সেনা নিহত হয়। এই যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধে সিপাহী খালেদ এবং সিপাহী শাহজাহান শহীদ হন।

২৮ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধারা চট্টগ্রামের হিকুয়া এলাকা থেকে সরে এসে চিকনছড়া নামক স্থানে শক্ত প্রতিরক্ষা ব্যুহ তৈরি করে।

এদিন পাকিস্তানি হানাদাররা কুড়িগ্রাম দখল করতে গেলে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। এসময় নৌকায় ধরলা নদী পার হওয়ার সময়ে হানাদার  বাহিনীর পাঁচ জন সেনাকে গুলি করে হত্যা করে মুক্তিবাহিনীর মুক্তিযোদ্ধারা।

এদিন খাসিয়া পাহাড় ও মেঘালয়ের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের শ্রীহট্ট ফ্রন্টে মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি হানাদারদের একটি যুদ্ধবিমানকে গুলি করে ভূ-পাতিত করে। বিমানটি হরিপুরে সার কারখানার দিকে যাচ্ছিল।

ভারতীয় গণমাধ্যমে এদিন প্রকাশিত সংবাদ

দৈনিক অমৃতবাজার পত্রিকায় ২৮ এপ্রিল একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। নিজস্ব প্রতিনিধির বরাত দিয়ে সে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘মুক্তিফৌজ বাংলাদেশের দিনাজপুর, কিশোরগঞ্জ এলাকা থেকে পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে দিয়েছে। এই এলাকাটি পশ্চিম দিনাজপুরে রাধিকাপুর সীমান্ত শহর থেকে মাত্র তিন মাইল দূরে সীমান্তের ওপার থেকে এই খবর পাওয়া গেছে। বিরাট এক অঞ্চলজুড়ে মুক্তিসেনারা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করে তুলেছে। কয়েকটি এলাকায় আজ পাকবাহিনীর ওপর তারা অতর্কিত আঘাত হেনেছে। বগুড়া শহরের দক্ষিণ-পূর্বে শেরপুর এলাকায় মুক্তিফৌজে পাক বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য করতোয়া নদী পার হওয়ার সময় এই সংঘর্ষ শুরু হয়। নিকটবর্তী কাজিপুর এবং হরিপুর এলাকায় মুক্তিফৌজ ও পাকবাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। কুমিল্লা ফ্রন্টে গঙ্গাসাগর এবং ইমামবাড়ী স্টেশনের মধ্যবর্তী একটা এলাকায় মুক্তি সংগ্রামী ও পাকবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে বহু সংখ্যক পাক সৈন্য হতাহত হয়েছে। হতাহতের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।’

২৮ এপ্রিল কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক যুগান্তর তাদের একটি প্রতিবেদনে পিটিআই থেকে প্রাপ্ত সংবাদে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের মুক্তিফৗজ পশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলে ব্যাপকভাবে গুপ্ত ও গেরিলা আক্রমণ যেমন চালিয়ে যাচ্ছে ওদিকে পাকিস্তান জঙ্গী বাহিনী আজ উত্তর-পূর্ব রণাঙ্গনে আসামের কাছাড় জেলার সংলগ্ন শ্রীহট্ট সীমান্তের দিকে নতুন অভিযান শুরু করেছে। বাংলাদেশ থেকে আজ রাতে যে সংবাদ পাওয়া যায় তাতে বলা হয় যে, মুক্তিফৌজের সঙ্গে লড়াইয়ের পর পাকবাহিনী আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী কুশিয়ারা নদীর সম্মুখে হাজির হয়েছে। কিন্তু শ্রীহট্টের দিক থেকে পাক বাহিনীর যে দলটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিক থেকে অভিযানকারী অপর একটি ব্যাটেলিয়নের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের আশায় এক সপ্তাহ পূর্বে রওয়ানা হয়েছিল, তারা এখনও গুরুত্বপূর্ণ শেরপুর খেয়াঘাট দখলের জন্য মুক্তিফৌজের সঙ্গে লড়াইয়ে আটকে আছে। পাক বিমানবাহিনীর বারবার বোমাবর্ষণ ও ব্যাপক ধ্বংসসাধন এবং দূরপাল্লার কামান দাগানো সত্ত্বেও মুক্তিফৌজ শ্রীহট্টের মাইল পনেরো দূরে অবস্থিত শেরপুরে পূর্ণ কর্তৃত্ব বজায় রেখেছেন এবং তাদের আক্রমণে পাক জঙ্গী ফৌজ বহু সংখ্যায় হতাহত হয়েছে। উপকূলবর্তী শহরগুলো দখলের চেষ্টা: প্রকাশ, মধ্য রণাঙ্গনে পাকিস্তানী ফৌজ বগুড়া ও ময়মনসিংহ থেকে যমুনার উভয় তীর ধরে অভিযান চালিয়েছে। নদী তীরবর্তী শহরগুলো পূর্ণ কর্তৃত্ব হাতে পাওয়ার জন্যই তাদের এই উদ্যম। পাক বিমানবাহিনী আজকে বগুড়ার পূর্বদিকে বিস্তীর্ণ অঞ্চল বোমাবর্ষণ করে ধ্বংস করেছে। বিশেষ করে যমুনার পশ্চিম উপকূলবর্তী সিরাজগঞ্জ, কাজীপুর ও হরিপুর শহর কয়টি বিধ্বস্ত হয়। ময়মনসিংহের দিক থেকে অভিযানরত পাকিস্তানী ফৌজ জামালপুর ঢুকেছে। ওখানে মুক্তিফৌজের সঙ্গে প্রচণ্ড সংগ্রাম চলেছে এখন অবধি।  ঢাকা, মধুপুর ও কিশোরগঞ্জ থেকে পাকফৌজের যে দলটি ময়মনসিংহের ওপর জড়ো হয়েছিল, এতক্ষণে তারা ঐ শহরে সদর কার্যালয় স্থাপন করেছে। দক্ষিণ রণাঙ্গনে এখন পর্যন্ত বরিশাল শহরটি মুক্তিফৌজের কর্তৃত্বে। ফরিদপুর থেকে অভিযানরত পাকবাহিনীকে গেরিলারা বরিশালের পথে অনেক জায়গায় সংগ্রামের মুখে ফেলেন। নদী তীর বরাবর পাকিস্তানী গানবোট ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে গোলাগুলি বিনিময়ের সংবাদও পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামে পাকবাহিনী নাকি ১৩০০০ বন্দর শ্রমিকের মধ্যে বন্দুক দেখিয়ে মাত্র ১৪০০ জনকে জরুরী মালপত্র উঠানো নামানোর কাজে সংগ্রহ করতে পেরেছে। অধিকাংশ বন্দর ও ডক শ্রমিক পাকিস্তানী সৈন্যদের গুলি এড়িয়ে শহর ছেড়ে চলে গেছে এবং মুক্তিযাদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। শিলিগুড়ি থেকে আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধি জানাচ্ছেন, মুক্তিফৌজ বাংলাদেশের দিনাজপুরে কিশোরগঞ্জ এলাকা থেকে পাক হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে দিয়েছে। এই এলাকাটি পশ্চিম দিনাজপুরে রাধিকাপুর সীমান্ত শহর থেকে মাত্র তিন মাইল দূরে। সীমান্তের ওপার থেকে এই খবর পাওয়া গেছে। মুক্তিফৌজ বিরাট এক অঞ্চলজুড়ে তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করে তুলেছে। কয়েকটি এলাকায় আজ পাকবাহিনীর ওপর তারা অতর্কিতে আঘাত হেনেছে। বগুড়া শহরের দক্ষিণ-পূর্বে শেরপুর এলাকায় মুক্তিফৌজ পাক বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য করতোয়া নদী পার হওয়ার সময় এই সংঘর্ষ শুরু হয়। নিকটবর্তী কাজিপুর এবং হরিপুর এলাকায় মুক্তিফৌজ ও পাকবাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে।"

তথ্যসূত্র

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র ষষ্ঠ, অষ্টম, নবম খণ্ড

দৈনিক অমৃতবাজার পত্রিকা, ২৮ এপ্রিল ১৯৭১

দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা, ২৮ এপ্রিল ১৯৭১ 

দৈনিক পাকিস্তান, ২৮ এপ্রিল ১৯৭১

কল্যাণপুর গণহত্যা- আলী আকবর টাবী

আহমাদ ইশতিয়াক

[email protected]

আরও পড়ুন:

২৭ এপ্রিল ১৯৭১: কালীগঞ্জে গণহত্যা, ইপিআরের নাম পাল্টে ইপিসিএফ

১১ এপ্রিল, ১৯৭১: দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান তাজউদ্দীন আহমদের

১০ এপ্রিল: মুজিবনগর সরকার গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র দিবস

এক দুঃসাহসী মুক্তিযোদ্ধা মুক্তিবেটি কাঁকন হেনইঞ্চিতা

স্বাধীনতাই একমাত্র গন্তব্য পূর্ব পাকিস্তানের: মওলানা ভাসানী

Comments

The Daily Star  | English

Iran attacks: Israel may not act rashly

US says Israel's response would be unnecessary; attack likely to dispel murmurs in US Congress about curbing weapons supplies to Israel because of Gaza

2h ago