ছেলেরা বীরের মতো খেলেছে: নাজমুল

শ্রীলঙ্কায় নিদহাস কাপের শুরু থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন। দারুণ খেলেও শেষটায় এসে আক্ষেপের হার পোড়াচ্ছে তাকেও। তবে হারলেও দলের সবার নিবেদন আর লড়াকু মানিসকতায় খুশি তিনি।
Nazmul Hasan papon
দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় ছিলেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান, ফিরলেনও দলকে নিয়েই। ছবি: একুশ তাপাদার

শ্রীলঙ্কায় নিদহাস কাপের শুরু থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন। দারুণ খেলেও শেষটায় এসে আক্ষেপের হার পোড়াচ্ছে তাকেও। তবে হারলেও দলের সবার নিবেদন আর লড়াকু মানিসকতায় খুশি তিনি।  

আরেকবার ফাইনালে এমন হৃদয়-ভাঙা হারে কষ্ট পেয়েছেন সমর্থকরা। তবে বিসিবি প্রধান মনে করিয়ে দিলেন মাঠে যারা খেলেছেন কষ্টটা তাদেরই বেশি, ‘আমি যেটা বলবো, আমরা ফাইনাল ম্যাচ হেরে গেছি। এ জন্য অনেক কষ্ট পেয়েছে, হতাশ হয়েছে। আমি শুধু একটা কথাই বলব, আমাদের ছেলেরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছে।  আমি ওদের সঙ্গে ছিলাম। আমি জানি ওদের অবস্থা। ওরা অনেক ভেঙ্গে পড়েছিল।  আমি ওদেরকে বলেছি, হার-জিত বড় কথা নয়। একদল জিতবে আরেক দল হারবে। তবে আমি ভালো খেলা দেখতে চাই।  এবং প্রত্যেকটা খেলা তারা ভালো খেলেছে এবং বীরের মতো খেলেছে।‘

ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে আগে ব্যাটিং পায় বাংলাদেশ। ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যানরা বড় রান পাননি। কেবল সাব্বির রহমানের ফিফটিতে দল পায় ১৬৬ রানের পুঁজি। ব্যাটিং পিচে  এই পুঁজি নিয়েও শেষ বল পর্যন্ত লড়াই করতে পারায় সন্তুষ্ট নাজমুল,  ‘আমাদের দলের সেরা চার ব্যাটসম্যান ফাইনালে রান করতে পারেনি, তারপরও এই পুঁজি নিয়ে আমরা যেভাবে লড়েছি এটা প্রশংসার দাবি রাখে। এবং শেষ বল পর্যন্ত আমরা লড়াই করেছি।  আমি সেইজন্য বলবো তারা হয়তো কষ্ট দিয়েছে, হতাশ করেছে। কিন্তু তারা বীরের মতো লড়াই করেছে। সেই কারণে আমি তাদের উপর খুশি।‘

তবে সান্ত্বনা দিলেও বারবার আক্ষেপ গোপন করতে পারেননি বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় কর্তাও, এই ক্ষত সহজে কাটানোর নয় বলে মত তার, ‘এতো কাছে গিয়ে হার, আমি মনে করি সকল বাংলাদেশির মনের অবস্থা একই। নিশ্চিত জিতে যাওয়া অবস্থা থেকে হেরে যাওয়া মেনে নেওয়া যায় না। কষ্ট বলবো নাকি কি আফসোস বলবো..। কিছু ঘটনা থাকে সহজেই মুছে যাওয়ার নয়। এটা সারাজীবন মনে থাকার মতো ঘটনা।‘

 

Comments

The Daily Star  | English

Cyclone Remal likely to hit Bangladesh coast by Sunday evening

Maritime ports asked to maintain local cautionary signal no one

1h ago