বাংলাদেশ ছাড়ছে একসেঞ্চার

বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিচ্ছে গ্লোবাল আউটসোর্সিং ফার্ম একসেঞ্চার। এখানে কর্মরত ৫৫৬ জন কর্মীর সবাইকে আগামী নভেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠান ছাড়ার ব্যাপারেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিচ্ছে গ্লোবাল আউটসোর্সিং ফার্ম একসেঞ্চার। এখানে কর্মরত ৫৫৬ জন কর্মীর সবাইকে আগামী নভেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠান ছাড়ার ব্যাপারেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণফোনের জিপিআইটি’র ৫১ শতাংশ শেয়ার কিনে ২০১৩ সালে বাংলাদেশে একসেঞ্চারের যাত্রা শুরু হয়েছিল। প্রতিবেশী ভারতের মত বাংলাদেশেও বৃহৎ পরিসরে আইটি শিল্প গড়ে তোলার যে আশা করা হয় একসেঞ্চার বন্ধ হয়ে যাওয়াকে সেই উদ্যোগে হোঁচট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

একসেঞ্চার বাংলাদেশের কর্মী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ গতকাল জানান, প্রতিষ্ঠানের চিফ অপারেটিং অফিসার সব কর্মীদের একটি ই-মেইল পাঠিয়েছেন। সেখানেই প্রতিষ্ঠানের সাথে তাদের চাকরির চুক্তি শেষ করার কথা বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে একসেঞ্চার তার কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও সেখানকার কর্মীরা দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত সোমবার এক বৈঠকে একসেঞ্চার কমিউনিকেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার সলিউশনস লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার রায়হান শামসি ও চিফ অপরেটিং অফিসার পুরুষোত্থমা কাডাম্বু কার্যক্রম বন্ধের কথা কর্মীদের জানান।

বাংলাদেশে একসেঞ্চারে যে গ্রাহকরা রয়েছেন তাদেরকে ভারত থেকে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা হবে বলেও কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে।

আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনভিত্তিক একসেঞ্চারের সারা বিশ্বে ১২০টি দেশে কার্যক্রম রয়েছে।

Click here to read the English version of this news

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

16h ago