নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে আরও ৯ জনের করোনা শনাক্ত

নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর নতুন করে আরও নয় জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দুই জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৮৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। আজ রবিবার নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মো. মোমিনুর রহমান ও লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন ডা: আব্দুল গাফ্ফার দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর নতুন করে আরও নয় জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দুই জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৮৫ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। আজ রবিবার নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. মো. মোমিনুর রহমান ও লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন ডা: আব্দুল গাফ্ফার দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তারা জানান, নোয়াখালীতে নতুন করে তিন জন শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে এক জন ব্যাংক কর্মকর্তা, এক জন ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরী ও এক জন মসজিদের ইমাম। অন্যদিকে লক্ষ্মীপুরে শনাক্ত হয়েছেন ছয় জন। তারা সবাই লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার। এরমধ্যে তিন জন স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালের নার্স।

বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: মাহবুব আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় ওই ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তাকে বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা তাকে নজরদারিতে রেখেছেন।’

সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা: মো: রিয়াজ উদ্দিন জানান, গত ২৮ এপ্রিল উপজেলার নাটেশ্বর ইউনিয়নের একটি মসজিদের ইমামগত জ্বর, কাশি, গলা ব্যথায় আক্রান্ত হন। গত ৪ মে স্বেচ্ছায় হাসপাতালে এসে নমুনা দিয়ে যান। আজ তার পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাকে নিজ বাড়িতে তাকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তার বাড়িটি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে।’

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. সেলিম জানান, ‘কোম্পানীগঞ্জ শনাক্ত হওয়া ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরীকে মাইজদী শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে স্থাপিত করোনাভাইরাস হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।’

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নিজাম উদ্দিন জানান, পৌরসদরের একটি বেসরকারি ক্লিনিক তিন নার্সের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তারা গত ৩ মে নমুনা দিয়ে যান। শনিবার রাতে তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাদেরকে ওই হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এছাড়া উপজেলার পার্বতী নগরের ও দক্ষিণ হামছাদীর দুই ঢাকার নারায়ণগঞ্জের পোশাক শ্রমিক। তারা ১০-১২ দিন আগে নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়িতে আসে। ৩ মে তাদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। তাদের রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। তাদের বাড়ি লকডাউন করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের সংস্পর্শে আসা পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। অপর যুবক থানা রোডে একটি ফার্মেসীর বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করেন। তার রিপোর্টও পজিটিভ আসে। বর্তমানে ওই যুবক তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলায় আছে।

লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন ডা: আব্দুল গাফ্ফার বলেন, এ নিয়ে জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫৯ জন হয়েছে। এদের মধ্যে সদরে ২৩, রামগঞ্জে ১৯, কমলনগরে ৭, রামগতিতে ৮ ও রায়পুর উপজেলায় ২ জন আছেন।

Comments