দেশে খাদ্য ঘাটতি নেই: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, অনেকেই মনে করেন সরকারের খাদ্যের মজুত কমে গেছে। তাদের ধারণা সঠিক নয়। খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, দেশে খাদ্য ঘাটতি নেই। মজুতের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।
ছবি: সংগৃহীত

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, অনেকেই মনে করেন সরকারের খাদ্যের মজুত কমে গেছে। তাদের ধারণা সঠিক নয়। খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, দেশে খাদ্য ঘাটতি নেই। মজুতের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।

বরিশালে স্টিল সাইলো নির্মাণ ও অনলাইন ফুড স্টক মনিটরিং সিস্টেম ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আজ এসব কথা বলেন। ঢাকায় খাদ্য ভবনের সভাকক্ষে চুক্তি দুটি স্বাক্ষর হয়।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, উন্নত বাংলাদেশ গঠনের যে কার্যক্রম চলছে তার সাথে সঙ্গতি রেখে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকেও আধুনিক ও সময়োপযোগী করা হচ্ছে। খাদ্যের মজুতের সক্ষমতা বাড়াতে ২০২৫ সালের মধ্যে স্টিল সাইলো নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ময়মনসিংহ, আশুগঞ্জ ও মধুপুর সাইলোর কাজ শেষের পথে। ডিসেম্বরের মধ্যে এগুলো হস্তান্তর হবে।

তিনি বলেন, শিগগির আরও পাঁচটি স্টিল সাইলো নির্মাণের কাজ শুরু হবে।

এসব সাইলোতে কীটনাশক ব্যবহার না করে আধুনিক কুলিং সিস্টেমে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করা হবে। এভাবে দুই বছর পর্যন্ত খাদ্যশস্যের মান ও পুষ্টি অক্ষুণ্ণ রাখা যাবে।

তিনি বলেন, ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সারাদেশে ২০০ পেডি সাইলো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি ৩০টির অনুমোদন পাওয়া গেছে। এগুলো নির্মিত হলে প্রান্তিক কৃষক সহজেই ধান সংরক্ষণ করতে পারবেন। ২৪ শতাংশ আর্দ্রতা থাকলেও কৃষকের ধান নেওয়া সম্ভব হবে। স্টিল সাইলোতে পরে সে ধান প্রক্রিয়া করে উন্নতমানের চাল পাওয়া সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে খাদ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে বেক্সিমকো কম্পিউটার্স লিমিটেডের চুক্তি হয়। বেক্সিমকো কম্পিউটার্স খাদ্য অধিদপ্তরের ৬৪ জেলায় ১২০০ সাইটে অনলাইন কানেক্টিভিটির মাধ্যমে মনিটরিংয়ের অবকাঠামো তৈরি করবে। অধিদপ্তরের ৩৫ হাজার জনবলকে আইটি প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে চুক্তিতে।

৪৮ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার স্টিল সাইলো নির্মাণ করবে কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড বাংলাদেশ ও জিএসআই ইউএসআই জেভি।

Comments

The Daily Star  | English

St Martin’s Island get food, essentials after 9 days

The tourist ship Baro Awlia left a Teknaf jetty this afternoon ferrying the goods, to ease the ongoing food crisis on the island due to the conflict in Myanmar

1h ago