ফেইস শিল্ড পরে কেন খেলছেন পাঞ্জাবের পেসার?

১৮৮ রানের লক্ষ্যে থাকা চেন্নাইকে আটকে দিতে পঞ্চম ওভারে বল হাতে পান ঋষি। তখনই দেখা যায় ফেইস শিল্ড পরে বল করছেন এই পেসার।
Rishi Dhawan
ঋষি ধাওয়ান। ছবি: আইপিএল ওয়েবসাইট

আইপিএলে সর্বশেষ খেলেছিলেন চার বছর আগে। পেস অলরাউন্ডার ঋষি ধাওয়ান বছর পাঁচেক আগে খেলেছেন ভারতের জাতীয় দলেও। লম্বা সময়ের আড়াল থেকে বেরিয়ে সোমবার পাঞ্জাব কিংসের হয়ে নেমেছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে। কিন্তু ক্রিকেট ভক্তদের কৌতূহল জন্ম দিয়েছে তার ব্যবহৃত ফেইস শিল্ড।

১৮৮ রানের লক্ষ্যে থাকা চেন্নাইকে আটকে দিতে পঞ্চম ওভারে বল হাতে পান ঋষি। তখনই দেখা যায় ফেইস শিল্ড পরে বল করছেন এই পেসার। নিজের দ্বিতীয় ওভারে তিনি আউট করেন ছন্দে থাকা শিভম দুবেকে। ম্যাচের শেষ দিকে পান মহেন্দ্র সিং ধোনির উইকেট। ৪ ওভার বল করে ৩৯ রান দিয়ে ২ উইকেট পেয়ে দলের ১১ রানের জয়েও অবদান তার।

এই ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই কৌতূহলী তার ফেইস শিল্ড নিয়ে। কেউ কেউ মনে করছেন ফ্যাশনের জন্যই এমনটা করে থাকতে পারেন তিনি।

তবে আসল ঘটনা ভিন্ন। মূলত নিজেকে সুরক্ষা করতেই এই পথে হেঁটেছেন ঋষি। ৩২ পেরুনো এই অলরাউন্ডারের রঞ্জি ট্রফিতে মুখে বল লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে করা হয় অস্ত্রোপচারও। চোট থেকে সেরে উঠার পর বাড়তি সুরক্ষা হিসেবেই এটা পরেছেন তিনি।

পাঞ্জাব কিংসের পোস্ট করা এক ভিডিওতে নিজের ফেইস শিল্ড ব্যাবহারের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ঋষি,  'আমি চার বছর পর আইপিএলে ফিরলাম। রঞ্জিতে চোট পাওয়ার পর খুবই হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। আমাকে একটা অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছে। যে কারণে আইপিএলে প্রথম চার ম্যাচে ছিটকে গিয়েছিলাম। এখন আমি পুরোপুরি ফিট।'

২০১৬ সালে পাঞ্জাবের স্কোয়াডেই ছিলেন ঋষি। ২০১৪ সালে দলটির হয়ে ফাইনালও খেলেন। এবার ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়ে ফেরা ঋষি আর কোন চোটে নিজের জায়গাটা হারাতে চান না, 'ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করে চার বছর পর ফেরার পর ধাক্কাটা খুব কঠিন ছিল। তিন-চার বছর ধরেই ফেরার জোর চেষ্টা করছিলাম। এই কারণে এবার আমি ইনজুরি নিয়ে কিছুটা ভীত। কোনভাবেই আর চোটের কারণে জায়গাটা হারাতে চাই না।'

Comments

The Daily Star  | English

288 Myanmar security personnel sent back from Bangladesh

Bangladesh this morning repatriated 288 members of Myanmar's security forces, who had crossed the border to flee the conflict between Myanmar's military junta and the Arakan Army

13m ago