লেঁসের বিপক্ষে ১ পয়েন্ট পেয়েই খুশি পিএসজি কোচ

হারতে হারতে ড্র। লেঁসের বিপক্ষে আগের দিন কোনোমতে শেষ দিকের গোলে অন্তত একটি পয়েন্ট পেয়েছে পিএসজি। আর তাতেই সন্তুষ্ট পিএসজি কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো। অথচ লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে, আনহেল দি মারিয়াদের মতো খেলোয়াড়রা আক্রমণভাগে।

হারতে হারতে ড্র। লেঁসের বিপক্ষে আগের দিন কোনোমতে শেষ দিকের গোলে অন্তত একটি পয়েন্ট পেয়েছে পিএসজি। আর তাতেই সন্তুষ্ট পিএসজি কোচ মাউরিসিও পচেত্তিনো। অথচ লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপে, আনহেল দি মারিয়াদের মতো খেলোয়াড়রা আক্রমণভাগে।

প্রতিপক্ষের মাঠে শনিবার রাতে লিগ ওয়ানের ম্যাচে লেঁসের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে পিএসজি। ম্যাচের ৬২তম মিনিটে সেকো ফোফানার গোলে পিছিয়ে পড়ার পর যোগ করা সময়ে জিয়র্জিনিও উইনালদামের গোলে স্বস্তি মেলে লা পার্সিয়ানদের। এ নিয়ে টানা দুটি ম্যাচে পয়েন্ট হারালো দলটি। আগের রাউন্ডে নিসের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল তারা।

এদিন মেসি-এমবাপেদের চেয়ে আগ্রাসী ছিল লেঁসই। ১৮টি শট নেয় দলটি। যার ৭টিই ছিল লক্ষ্যে। যেখানে প্যারিসের দলটি শট নেয় ১৩টি। লক্ষ্যে থাকে ৬টি। তবে বলের দখলে এগিয়ে ছিল পিএসজিই। মোট ৬৪ শতাংশ বল পায়ে ছিল তাদের। টানা দুটি ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ালেও এখনও তালিকার শীর্ষেই আছে পিএসজি।

ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষকে কৃতিত্ব দিয়ে পিএসজি কোচ বলেন, 'আমাদের লেঁসকে কৃতিত্ব দিতে হবে, একটি শারীরিক, আক্রমণাত্মক দল যাদের প্রচুর শক্তি রয়েছে, যা আমাদের সমস্যায় ফেলেছে। কিন্তু আমরা যে চেষ্টা করেছি তার স্বীকৃতিও আমাদের দিতে হবে। দল লড়াই করেছে, ভুগতে হয়েছে কিন্তু গোল করে ফিরতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত, আমি মনে করি এ ফলাফল ন্যায্য।'

বরাবরই লিগ ওয়ানের দলগুলো শারীরিকভাবে আগ্রাসী ফুটবল খেলে থাকে। সেখানে লেঁস আরও এক কাঠি সরেস। যে কারণে স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারেননি মেসি, এমবাপে, দি মারিয়ারা। তাই বাধ্য হয়ে পড়ে কৌশলগত পরিবর্তন আনেন পচেত্তিনো।

নিজেদের টেকনিক্যালি ঘাটতির কথাও উল্লেখ করেন এ কোচ, 'এটা সত্য যে এটা এমন একটি দল যারা আমাদের সমস্যা দিয়েছে। ম্যাচের শুরুতে, আমরা বল ধরে রাখতে পারিনি, যা আমাদের খেলার জায়গায় রাখতে বাধা দিয়েছে। এই ধরনের আক্রমণাত্মক দলের বিপক্ষে, টেকনিক্যালি নির্ভুলতার অভাব আমাদের জন্য কঠিন করে তুলেছিল। এ কারণেই কৌশলগত পরিবর্তন এসেছে।'

Comments

The Daily Star  | English

Factories, banks reopen as govt relaxes curfew

Garment factories, banks and stock exchanges reopened as the government relaxed a curfew imposed to quell violent protests that left at least 150 people dead since last Tuesday

1h ago