নতুন সিনেমাহীন ৯ উৎসব

করোনা মহামারি সময়ের চার ঈদ, পূজা, বৈশাখ, ভালোবাসা দিবস— সবমিলিয়ে নয়টি উৎসবে মুক্তি পায়নি বড় বাজেটের কোনো সিনেমা।
Balaka cinema hal
স্টার ফাইল ফটো

করোনা মহামারি সময়ের চার ঈদ, পূজা, বৈশাখ, ভালোবাসা দিবস— সবমিলিয়ে নয়টি উৎসবে মুক্তি পায়নি বড় বাজেটের কোনো সিনেমা।

মুক্তির অপেক্ষায় আটকে আছে ২৫টির বেশি নতুন ছবি। করোনা মহামারির সময়ে মাঝেমধ্যে সিনেমা হল খুললেও নতুন সিনেমাগুলো মুক্তিতে আগ্রহী ছিলেন না প্রযোজক বা পরিচালকরা।

মুক্তির তালিকায় থাকা সিনেমার মধ্যে রয়েছে—অন্তরাত্মা, শান, অপারেশন সুন্দরবন, অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন, মিশন এক্সট্রিম, মিশন এক্সট্রিম-২, বিদ্রোহী, পাপপুণ্য, হাওয়া, বিক্ষোভ, জ্বীন, ক্যাসিনো, দিন দ্য ডে, বর্ডার, পরান, শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-২, আগামীকাল, ওস্তাদ, ডেঞ্জার জোন, লাল মোরগের ঝুঁটি।

মধুমিতা সিনেমার কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘গত দুই বছর আমার হল বন্ধ। অনেক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে আমাকে। চলতি বছরটা দেখবো, তারপর অন্য সিদ্ধান্ত নিবো। এখন সিনেমা হল খুললে বড় বাজেটের কোনো সিনেমা মুক্তি দিতে চাইবে না। তাই সিনেমা হল বন্ধ রাখাই ভালো।’

প্রদর্শক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি মিয়া আলাউদ্দিন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘এখন নতুন বড় বাজেটের সিনেমাগুলো মুক্তি দিতে সাহস পাচ্ছে না। সাহস পেলেও খুব বেশি সিনেমা নেই। এই সংকট কাটাতে সারা বিশ্বের সিনেমা মুক্তির অনুমতি দিতে হবে। সরকারের সহযোগিতা দরকার। হল মালিকরা আমাদের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। তাদের কথা দিয়ে কথা রাখতে পারিনি। এভাবে চললে আগামীতে সব সিনেমা হল বন্ধ হতে বাধ্য।’

পরিচালক ওয়াজেদ আলী সুমন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমার পরিচালিত “অন্তরাত্মা” সিনেমাটা ঈদের জন্য প্রস্তুত ছিল। শাকিব খান অভিনীত সিনেমাটি  করোনার কারণে প্রযোজনা সংস্থা মুক্তি দিতে চাইছে না। পরিস্থিতি ঠিক হলে মুক্তির বিষয়ে ভাববে হয়তো।’

শামীম আহমেদ রনি পরিচালিত ‘বিক্ষোভ’ ও শাহিন সুমন পরিচালিত ‘বিদ্রোহী’ সিনেমা দুটি শাপলা মিডিয়া তাদের স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম ‘সিনেবাজ’ এ মুক্তির দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।

স্টার সিনেপ্লেক্সে শাকিব খান অভিনীত ‘নবাব এলএলবি’ ও নীরব অভিনীত ‘কসাই’ সিনেমা মুক্তি পেয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English
Cuet students block Kaptai road

Cuet closed as protest continues over students' death

The Chittagong University of Engineering and Technology (Cuet) authorities today announced the closure of the institution after failing to pacify the ongoing student protest over the death of two students in a road accident

50m ago