অপরাধ ও বিচার

রাতের ঢাকাকে আরও নিরাপদ করার চেষ্টা চলছে: ডিএমপি

রাতের ঢাকাকে আরও নিরাপদ করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার | ছবি: টেলিভিশন থেকে নেওয়া

রাতের ঢাকাকে আরও নিরাপদ করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

আজ রোববার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

হাফিজ আক্তার বলেন, 'অপরাধী ঢাকা শহরে ব্যাপক হারে থাকে না। আমরা একটি তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছি। এদের সব সময় নজরদারিতে রাখলে অপরাধ কমে যায়। আমরা দেখেছি, চুরি বা ছিনতাই; ব্যাপক হারে গ্রেপ্তার করতে পারলে কিছু দিন কমে। যখন আবার বেরিয়ে আসে আবার ঘটনা ঘটায়। আমরা যেমন কৌশল অবলম্বন করি, তারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। যেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা নেই, যেখানে কেউ তাকে দেখবে না সেখানে সে অপরাধগুলো ঘটায়।'

তিনি বলেন, 'অপরাধ প্রক্রিয়া শুধুমাত্র পুলিশিং দিয়ে শতভাগ নির্মূল করা বিশ্বে কোথাও নেই। কারাগারে রেক্টিফিকেশন, সে অন্য কোনো পেশায় যাবে সেটাও হচ্ছে না। কারণ যে রাতে চুরি করে সে শুধু রাতেই চুরি করে। যে রাতে ছিনতাই করে, সে দিনে করে না। আবার যে এলাকার, সে অন্য এলাকায় অপরাধ করে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে না। এ জন্য বিট পুলিশ-থানাকে বলা হচ্ছে চিহ্নিত করতে।'

'কখনো অপরাধ বেড়ে গেলে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আমরা কমাই কিন্তু একেবাদের নির্মূল করা খুব কঠিন। আগামীতে আরও উন্নয়ন হলে তাদের কর্মক্ষেত্র তৈরি হলে হয়তো কমিয়ে আনা যাবে। তবে কাজ চলছে। আমরা এগুলো ভালোভাবে অ্যাড্রেস করছি, যাতে রাতের ঢাকাকে আরও একটু নিরাপত্তা দেওয়া যায়,' বলেন তিনি।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পরিবহন শ্রমিক ইমরান হোসেন (৩৫) হত্যাকাণ্ডে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুম মোল্লাসহ ২২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'যে মেরেছে তাকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাউন্সিলর না কি কারা কারা সংশ্লিষ্ট; ইতোমধ্যে ১০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তদন্ত করে দেখা হবে এর ভেতরে ক্লুগুলো কী, তদন্ত চলছে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।'

একটি অডিও প্রকাশিত হয়েছে যেখানে মৌলভীবাজার থেকে গ্রেপ্তার আসামির স্বজনের কাছে উপকমিশনারের (ডিসি) নাম করে ৫ লাখ টাকা চেয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা—এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত উপকমিশনার জিয়াউল আহমেদ বলেন, 'বিষয়টা আমার নলেজে এসেছে, আমরা তদন্ত করে দেখছি। আমরা ওই এসআইয়ের (উপপরিদর্শক) সঙ্গে কথা বলেছি, তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের কোনো কথা তিনি বলেননি।'

হাফিজ আক্তার আরও বলেন, 'এটা যদি হয়ে থাকে আমরা দেখবো। আসামিপক্ষ বিভ্রান্ত করছে কি না আমি জানি না।'

Comments