বিএনপির ‘অগ্নিসন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে আজ সারাদেশে আ. লীগের বিক্ষোভ

বিএনপির ‘অগ্নিসন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে আগামীকাল রোববার সারাদেশে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
আওয়ামী লীগের জরুরি যৌথ সভায় বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: আশিক আবদুল্লাহ অপু/স্টার

বিএনপির 'অগ্নিসন্ত্রাসের' বিরুদ্ধে আজ রোববার সারাদেশে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

গতকাল শনিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি যৌথ সভা থেকে এ ঘোষণা দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, 'বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ এবং তার সব সহযোগী ও অঙ্গসংগঠন আগামীকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশব্যাপী প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করবে।'

গতকাল বিএনপির সমাবেশ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, 'আমরা যা আশঙ্কা করেছি, তাই সত্যি হয়েছে। অগ্নিসন্ত্রাস- তারা এটাই চেয়েছিল। গতকালই তারা শুরু করত। আমাদের অবস্থান শক্ত ছিল।'

শুক্রবার আওয়ামী লীগের কর্মসূচি সফল করায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন দলের সাধারণ সম্পাদক। 

তিনি বলেন, 'আমাদের যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ গতকাল রেকর্ড উপস্থিতিতে চেতনার অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, নবজাগরণের সৃষ্টি করেছে। আমরা আশ্বস্ত হয়েছি, আমাদের নেত্রীও গতকাল এই নবজাগরণ প্রত্যক্ষ করেছেন। আমাদের তারুণ্যের যে শক্তি আছে, সেটাতে আমাদের নেতাও খুশি হয়েছেন। এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।' 

আওয়ামী লীগের কর্মসূচি প্রসঙ্গে কাদের বলেন, 'তারা (বিএনপি) বলে- তাদের কর্মসূচি দেখে আমরা কর্মসূচি দেই। তাদের কর্মসূচি হয়নি, কিন্তু আমাদের হয়েছে।' 

বিএনপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, 'মাতুয়াইলে তারা ৪টি পরিবহনে আগুন দেয়। ইশা পরিবহন, স্বদেশ পরিবহন পুড়িয়ে দিয়েছে, পুলিশ ভ্যানেও হামলা করে। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকারে হামলা করে। ওয়েলকাম পরিবহনে শুধু হামলায় করেনি, অগ্নিসংযোগও করেছে। সদরঘাটেও ভিক্টর পরিবহনে অগ্নিসংযোগ করে। রাজধানীতে মোট ৭ বাসে অগ্নিসংযোগ-হামলা করেছে। ধোলাইখাল মোড়ে এসআই নাহিদকে বেধড়ক পেটাতে দেখা যায়। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ওসি গোলাম মোস্তফাকে মারধর করেছে। ঢাকা মহানগর উত্তরের আওয়ামী লীগ কর্মী মুহিবুর রহমান নয়নের ওপর হামলা করে কবজি কেটে নেয়।'

জরুরি যৌথ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

Comments

The Daily Star  | English
Impact of esports on Bangladeshi society

From fringe hobby to national pride

For years, gaming in Bangladesh was seen as a waste of time -- often dismissed as a frivolous activity or a distraction from more “serious” pursuits. Traditional societal norms placed little value on gaming, perceiving it as an endeavour devoid of any real-world benefits.

15h ago