টিআইবির প্রতিবেদনকে ভিত্তিহীন বললেন সিইসি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বচনে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে যে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তা আজ প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।
CEC
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা। স্টার ফাইল ছবি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বচনে ব্যাপক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে যে গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) তা আজ প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

সিইসি বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন আমরা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করছি। এই গবেষণা প্রতিবেদন ভিত্তিহীন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আজ বুধবার বিকেলে কমিশনে নতুন নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সিইসি।

গতকাল টিআইবির প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যে ৫০টি আসন তাদের গবেষণার আওতায় ছিল তার মধ্যে ৪৭টি আসনেই তারা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছেন।

নির্বাচনের দিন সংঘটিত অনিয়মের মধ্যে রয়েছে: প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর নীরব ভূমিকা, জাল ভোট দেওয়া, নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালটে সিল মেরে রাখা, বুথ দখল করে প্রকাশ্যে সিল মেরে জাল ভোট, পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া ও কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া, ভোটারদের জোর করে নির্দিষ্ট মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা, ব্যালট পেপার শেষ হয়ে যাওয়া, আগ্রহী ভোটারদের হুমকি দিয়ে তাড়ানো, ব্যালট বাক্স আগে থেকে ভরে রাখা এবং প্রতিপক্ষ দলের প্রার্থীর নেতা-কর্মীদের মারধর করা।

টিআইবির এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সিইসি বলেন, টিআইবির প্রতিবেদনে নির্বাচনের দিনের যেসব অনিয়মের কথা বলা হয়েছে তার সঙ্গে সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদ ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের বক্তব্যের মিল নেই। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও এধরনের কোনো অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে আসেনি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ভোটে ব্যাপক অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ ও ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছে টিআইবি। এ নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের পক্ষে মত দিয়েছে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি।

Comments

The Daily Star  | English

The bond behind the fried chicken stall in front of Charukala

For close to a quarter-century, a business built on mutual trust and respect between two people from different faiths has thrived in front of Dhaka University's Faculty of Fine Arts

1h ago