ফুটবল

লিভারপুল-বায়ার্ন ম্যাচ গোলশূন্য ড্র

ঘরের মাঠের সুবিধাটা আদায় করে নিতে পারেনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল। স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় বেশ কিছু সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি দলটি। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে তাদের রুখে দিয়েছে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। ফিরতি লেগে তাই কিছুটা হলেও এগিয়ে রইল জার্মানির ক্লাবটি। অ্যানফিল্ডে এদিন ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়।
ছবি: রয়টার্স

ঘরের মাঠের সুবিধাটা আদায় করে নিতে পারেনি ইংলিশ ক্লাব লিভারপুল। স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় বেশ কিছু সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি দলটি। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে তাদের রুখে দিয়েছে জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ। ফিরতি লেগে তাই কিছুটা হলেও এগিয়ে রইল জার্মানির ক্লাবটি। অ্যানফিল্ডে এদিন ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়।

ম্যাচের দ্বাদশ মিনিটে মাঝ মাঠ থেকে ডিবক্সের মধ্যে মোহাম্মদ সালাহকে দারুণ পাস দিয়েছিলেন জর্ডান হেন্ডারসন। তবে সালাহর আলতো টোকা ডান দিকে ঝাঁপিয়ে লুফে নেন বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। পরের মিনিটেই গোল পেতে পারতো বায়ার্নও। ডান প্রান্ত থেকে সের্জি নাবরির নেওয়া ক্রসে পা ছুঁইয়ে ছিলেন রবার্ট লেভানদস্কি। গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের গায়ে লেগে ফিরে আসলে সে যাত্রা বেঁচে যায় লিভারপুল।

২৩তম মিনিটে ফাঁকায় হেড দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন সালাহ। কিন্তু লক্ষ্যে রাখতে পারেননি। ১০ মিনিট পর নেবি কেইটার শট ডিফেন্ডার ফিরিয়ে দিলে ডিবক্সে একেবারে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন সাদিও মানে। কিন্তু তার দুর্বল শট লক্ষ্যে থাকেনি। ৩৯ মিনিটে জুয়েল মাতিপের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। প্রথমার্ধের শেষে মিনিটেও সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকরা। আলেকজান্ডার আর্নল্ডের ক্রসে গোললাইনে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন মানে।

৫৩ মিনিটে নিকলাস সুলের ভুল গোল প্রায় খেয়ে যাচ্ছিল বায়ার্ন। ৫৮ মিনিটে নাবরির নেওয়া দূরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যে থাকেনি। ৮৫ মিনিটে অতিথিদের ত্রাতা গোলরক্ষক নয়ার। জেমস মিলনারের নেওয়া ক্রসে দারুণ হেড দিয়েছিলেন মানে। কিন্তু ঝাঁপিয়ে পড়ে তা ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক। ফলে গোলশূন্য ভাবেই শেষ হয় ম্যাচ।

Comments

The Daily Star  | English

The bond behind the fried chicken stall in front of Charukala

For close to a quarter-century, a business built on mutual trust and respect between two people from different faiths has thrived in front of Dhaka University's Faculty of Fine Arts

37m ago