পাটুরিয়া ঘাটে রয়েছে গাড়ির চাপ

আজ (২ জুন) সকাল ৭টার পর থেকে পাটুরিয়া ঘাটে গাড়ির চাপ বাড়ছে। তবে ১৯টি ফেরি চলমান থাকায় গাড়ি পারাপারে সমস্যা হচ্ছে না।
Paturia ferryghat
২ জুন ২০১৯, মানিকগঞ্জের পাটুরিয়াঘাটে পারাপারের জন্যে রয়েছে গাড়ির চাপ। ছবি: স্টার

আজ (২ জুন) সকাল ৭টার পর থেকে পাটুরিয়া ঘাটে গাড়ির চাপ বাড়ছে। তবে ১৯টি ফেরি চলমান থাকায় গাড়ি পারাপারে সমস্যা হচ্ছে না।

সকাল সাড়ে ১০টায় পাটুরিয়া ঘাটের পরিস্থিতি হলো: এখানে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় যানবাহন ঘাটে এসে ফেরিতে উঠে যাচ্ছে। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে রয়েছে গাড়ির চাপ।

এছাড়াও, সকাল সোয়া ৭টা থেকে দুই দফা বৃষ্টি হওয়ায় লঞ্চ চলাচল দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিলো। একারণে লঞ্চের যাত্রীরা বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে দুর্ভোগে পড়েন। সকাল সাড়ে ১০টায় লঞ্চ চলাচল আবার শুরু হয়।

বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ২০টি ফেরি আছে। ১৯টি ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রয়োজন হলে অন্যটিও ব্যবহৃত হবে।

তিনি বলেন, ঈদের ছুটি পেয়ে ঘরমুখো মানুষ ছুটছে। এই কয়েকটি দিন গাড়ির চাপ থাকবে। তবে প্রাকৃতিক দূর্যোগ না ঘটলে ফেরি পারাপারে কোন সমস্যা হবে না বলে জানান তিনি।

Paturia ferryghat
২ জুন ২০১৯, বৃষ্টির কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়াঘাটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। ছবি: স্টার

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যানজট কিংবা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনারোধে পুলিশসহ ৫ শতাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস বলেন, যাত্রীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ঘাট এলাকায় শৌচাগার স্থাপন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, মেডিকেল টিম, মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন।

ঈদের আগে ও পরে কয়েকদিন গাড়ির চাপ একটু বেশি থাকবেই। তবে যাত্রী দুর্ভোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি।

সকাল ৯টায় পাটুরিয়া ঘাটে দুইশতাধিক ছোট গাড়ি এবং কিছু ট্রাক ফেরিপারের অপেক্ষায় আছে।

উল্লেখ্য, গতকাল (১ জুন) পাটুরিয়া ঘাটে গাড়ির কোন চাপ ছিলো না কিন্তু, ৩১ মে ছোট গাড়ির বেশ চাপ ছিলো।

জাহাঙ্গীর শাহ, নিজস্ব সংবাদদাতা মানিকগঞ্জ

Comments

The Daily Star  | English
irregular migration routes to Europe from Bangladesh

To Europe via Libya: A voyage fraught with peril

An undocumented Bangladeshi migrant worker choosing to enter Europe from Libya, will almost certainly be held captive by armed militias, tortured, and their families extorted for lakhs of taka.

23h ago