সাংসদ হিসেবে মাশরাফির খেলা চালিয়ে যাওয়া কঠিনই হবে: নূর

পাহাড়, মেঘ আর সবুজের সমারোহের মাঝে নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর ‘সাসপেনশন ব্রিজ’ ব্রিস্টলের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্পট। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার পর মঙ্গলবার বিকেলে সেখানে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, কনকনে হাওয়ার মধ্যেও প্রকৃতির চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য উপেক্ষা করা যাচ্ছিল না। মেঘ কাটিয়ে দেড়শো বছরের পুরনো ব্রিজে আচমকা দেখা মিলল এমন একজনের যাকেও উপেক্ষা করা কঠিন।
Asaduzzaman Nur
ছবি: স্টার

পাহাড়, মেঘ আর সবুজের সমারোহের মাঝে নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীর ‘সাসপেনশন ব্রিজ’ ব্রিস্টলের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্পট। বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার পর মঙ্গলবার বিকেলে সেখানে ঝিরিঝিরি বৃষ্টি, কনকনে হাওয়ার মধ্যেও প্রকৃতির চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য উপেক্ষা করা যাচ্ছিল না। মেঘ কাটিয়ে দেড়শো বছরের পুরনো ব্রিজে আচমকা দেখা মিলল এমন একজনের যাকেও উপেক্ষা করা কঠিন।

 

রাজনীতিবিদ হিসেবে বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলাদেশের কয়েক প্রজন্মের কাছে এখনো আসাদুজ্জামান নূরের পরিচিতি আসলে ‘বাকের ভাই’ কিংবা ‘নুরুল দিনের সারাজীবন’ দিয়ে। সকলের বাকের ভাই তবে ব্রিস্টলে কি করছেন?

সাসপেনশন ব্রিজের উপরই জমল আড্ডা। জানালেন, সপরিবারে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ দেখতে যুক্তরাজ্য এসেছেন। প্রথম দুই ম্যাচ ঠিকঠাক দেখেছেনও, মঙ্গলবার বৃষ্টিলে তিন নম্বর ম্যাচটিতেই বৃষ্টি বাগড়া দিয়েছে তাদের। ফাঁকা সময়টা কাজে লাগাতে তাই বেরিয়ে পড়া। 

কেবল নিজেদের আনন্দ মাটি হওয়া নয়, ক্রিকেটের যে ভালোই খোঁজ খবর রাখেন ম্যাচ না হওয়ার ব্যাখ্যায় প্রমাণ করেন এই সাংসদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ‘বিষণ্ণ একটা দিন। প্রকৃতি যেমন বিষণ্ণ তেমনি আমরা যারা বাংলাদেশ থেকে খেলা দেখতে এসেছি বা যারা প্রবাসী বাঙালি যারা আছেন সকলেই বিষণ্ণ হয়ে আছেন। কারণ খেলাটা হয়নি। খেলাটা আমাদের জন্য খুব জরুরী ছিল। এইট খেলাটাতি সকলেই আশা করেছিলাম যে শ্রীলঙ্কাকে আমরা হারানোর মতো শক্তি রাখি এবং তাতে করে আমরা জিতলে অনেকদূর এগিয়ে যেতা,  সেই জায়গাটিতে আমাদের একটা সমস্যা তৈরি হল।’

ক্রিকেট প্রসঙ্গে কথা এলে মাশরাফি অবধারিতভাবেই এসে যান। সংসদে তার সহযাত্রী হিসেবে মাশরাফিকে নিয়ে গর্ব আছে নূরের। তবে বিশ্বকাপের পর মাশরাফির খেলা চালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম দেখছেন নূর, ‘সংসদ সদস্য হিসেবে আগামীতে ক্রিকেট খেলা কতটা সহজ হবে কিনা জানি না হয়ত কঠিনই হয়ে যাবে। তবে মাশরাফি আমাদের বাংলাদেশের ক্রিকেটে অনেক বড় অবদান রেখেছে। এবং অধিনায়ক হিসেবে একজন খেলোয়াড় হিসেবে ক্রিকেটার হিসেবে বাংলাদেশকে অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে একটা বড় জায়গায় নিয়ে গেছে। এবং তার প্রতি তার প্রতি অভিনন্দন এবং আজকে তাকে সংসদে একজন সহযাএী হিসেবে পেয়ে নিশ্চিয়ই গর্বিত।’

বিশ্বকাপের পরই হয়ত পুরোদমে রাজনীতিতে মন নেবেন বর্তমান বাংলাদেশ অধিনায়ক। এরপর তার সামনে আরেক চ্যালেঞ্জ জেতার হাতছানি। সংসদ সদস্যের সেই চ্যালেঞ্জেও মাশরাফির সফলতা দেখছেন অভিনয় দিয়ে মানুষের মন জেতা নূর, ‘সত্যি কথা বলতে তো সংসদ সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করার সুযোগ সেভাবে এখনও পায়নি। তবে ক্রিকেটে যেমন সাফল্য দেখিয়েছে আশা করি সংসদ সদস্য হিসেবে তেমন সাফল্য সে পাবে।’

Comments