ইংল্যান্ডকে ‘ভয়’ দেখাচ্ছে যে পরিসংখ্যান

ওয়ানডের এক নম্বর দল ইংল্যান্ড শুক্রবার (২১ জুন) হেরে গেছে র‍্যাঙ্কিংয়ের নয়ে থাকা শ্রীলঙ্কার কাছে। স্বাগতিকদের এই হারে ফের জমে উঠেছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়।
england vs sri lanka
ছবি: এএফপি

ওয়ানডের এক নম্বর দল ইংল্যান্ড শুক্রবার (২১ জুন) হেরে গেছে র‍্যাঙ্কিংয়ের নয়ে থাকা শ্রীলঙ্কার কাছে। স্বাগতিকদের এই হারে ফের জমে উঠেছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার দৌড়।

লঙ্কানদের সঙ্গে পেরে না উঠলেও পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে রেখেছে ইয়ন মরগানের দল। ৬ ম্যাচে তাদের অর্জন ৮ পয়েন্ট। এতে বোঝাই যাচ্ছে, শেষ চার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তারা বেশ সুবিধাজনক স্থানেই রয়েছে ইংলিশরা। তবে হাতে থাকা তিন ম্যাচের প্রতিপক্ষের বিপরীতে বিশ্বকাপের অতীত পরিসংখ্যানটা মোটেও স্বস্তি দিচ্ছে না তদের। উল্টো গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়ে যাওয়ার ভয়’ দেখাচ্ছে!

ইংল্যান্ডের পরের তিন ম্যাচ যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ১৯৯২ আসরের পর থেকে তাদের বিপক্ষে বিশ্বকাপে সবমিলিয়ে ১১টি ম্যাচ খেলেছে দলটি। কিন্তু জয় পায়নি একটিতেও! হেরেছে ১০টি। ভারতের সঙ্গে ২০১১ আসরের মুখোমুখি লড়াইটি হয়েছিল টাই। অর্থাৎ, গেল ২৭ বছর ধরে বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়হীন ইংল্যান্ড।

১৯৯২ বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পথে ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর বিশ্ব মঞ্চে এই দুটি দলকে আর হারানোর স্বাদ নেওয়া হয়নি তাদের। অসিদের কাছে ২০০৩, ২০০৭ ও ২০১৫ আসরে হেরেছিল তারা। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে ইংলিশরা একই ফল পেয়েছিল ১৯৯৯ ও ২০০৩ সালে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গেল ৩৬ বছরেও জিততে পারেনি থ্রি লায়ন্সরা। ১৯৮৩ সালে কিউইদের সঙ্গে প্রথম দেখায় জিতলেও পরেরবার হেরেছিল তারা। এরপর ১৯৯২, ১৯৯৬, ২০০৭ ও ২০১৫ সালেও একই পরিণতি বরণ করতে হয়েছিল ইংল্যান্ডকে।

তবে মরগান বাহিনীর জন্য আশার খবর হচ্ছে, বাকি থাকা তিন ম্যাচের যে কোনো একটিতে জিতলেই তারা পেয়ে যেতে পারে সেমির টিকিট। তবে সে ক্ষেত্রে অন্যান্য ম্যাচের ফল তাদের পক্ষে থাকতে হবে। নেট রান রেটে বেশ এগিয়ে থাকায় দুটি ম্যাচ জিতলেও শেষ চারে উঠতে পারে দলটি। তিনটি জিতলে তো কথা-ই নেই!

Comments

The Daily Star  | English

Int’l bodies fail to deliver when needed: PM

Though there are many international bodies, they often fail to deliver in the time of crisis, said Prime Minister Sheikh Hasina

47m ago