বড়লেখায় ৭ দফা দাবিতে চা শ্রমিকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার আয়েশাবাগ চা বাগানের শ্রমিকরা পতিত জমি চাষসহ সাত দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন।
Moulvibazar
৫ জুলাই ২০১৯, মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার আয়েশাবাগ চা বাগানের শ্রমিকরা সাত দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন। ছবি: স্টার

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার আয়েশাবাগ চা বাগানের শ্রমিকরা পতিত জমি চাষসহ সাত দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন।

শুক্রবার (০৫ জুলাই) সকাল আটটা থেকে চা বাগানটির প্রায় শতাধিক শ্রমিক এ কর্মবিরতি শুরু করেন।

এদিকে, কর্মবিরতি পালন করায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকটা মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

আয়েশাবাগ চা বাগানের শ্রমিকরা জানান, ২০১৪ সাল থেকে চা বাগানের পতিত জমি চাষ, গরু-ছাগল পালন, গাছ লাগানোর অধিকার, বকেয়া বোনাস, চা বাগানে বিদ্যালয় নির্মাণ, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানির দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা। কিন্তু, কর্তৃপক্ষ একাধিকবার তাদের আশ্বাস দিলেও এর কোনোটিই বাস্তবায়ন করেনি।

চা শ্রমিক মনি বাউরী ও ঝরনা বাউরী বলেন, “অনেকদিন ধরে ব্যবস্থাপকের কাছে আমাদের এ দাবিগুলো জানিয়ে আসছি। ব্যবস্থাপক বরাবর লিখিত আবেদনও করেছি। কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনো গুরুত্ব না দেওয়ায়, আজ সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু করছি।”

তারা জানান, আজ সকাল সাতটায় বাগান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বাগান পঞ্চায়েতের বৈঠক হলেও এব্যাপারে কোনো সমাধান হয়নি। উপায়ান্তর না দেখে তারা আন্দোলনে নেমেছেন।

এ বিষয়ে আয়েশাবাগ চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি অজিত বুনারজি বলেন, “আমরা সাত দফা দাবি পেশ করেছি। সেগুলো হলো অন্যান্য বাগানের ন্যায় গরু-ছাগল পালনের অধিকার, গাছ লাগানোর অধিকার,  চা বাগানের পতিত জমি চাষের অধিকার, বকেয়া বোনাসের দাবি, চা বাগানে বিদ্যালয় নির্মাণ, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা।”

দাবি না মানা পর্যন্ত এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এ ব্যাপারে আয়েশাবাগ চা বাগানের ব্যবস্থাপক মিজানুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করেও সেটি বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

Comments

The Daily Star  | English

Eid rush: People suffer as highways clog up

As thousands of Eid holidaymakers left Dhaka yesterday, many suffered on roads due traffic congestions on three major highways and at an exit point of the capital in the morning.

7h ago