‘ছেলেধরা গুজব ছড়িয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’

‘ছেলেধরা’ গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে হত্যার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে মনে করছে পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে আজ সোমবার এক চিঠিতে গুজব রোধে সারা দেশের পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‘ছেলেধরা’ গুজব ছড়িয়ে গণপিটুনিতে হত্যার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে মনে করছে পুলিশ। এই পরিস্থিতিতে আজ সোমবার এক চিঠিতে গুজব রোধে সারা দেশের পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সদরদপ্তর থেকে সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-অপারেশনস) সাঈদ তারিকুল হাসান স্বাক্ষরিত এই চিঠিটি পুলিশ সুপার ও ইউনিট প্রধানদের পাঠানো হয়েছে।

ছেলেধরার গুজব বন্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব এবং ব্লগগুলো নজরদারির পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রীক প্রচারণা ও গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তির মতো একগুচ্ছ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে যারা এই গুজব ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের কোন ইউনিট কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরে ফ্যাক্সের মাধ্যমে জানাতে বলা হয়েছে।

গুজব ও গণপিটুনির মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক,পরিচালনা পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করে সচেতনতা বাড়াতে বলা হয়েছে। ছুটির পর অভিভাবকেরা যাতে শিক্ষার্থীকে নিয়ে যান,সে বিষয়ে নিশ্চিত করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা, প্রতিটি স্কুলের ক্যাম্পাসের সামনে ও বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, মেট্রোপলিটন ও জেলা শহরের বস্তিতে নজরদারি বৃদ্ধির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বার্তায় গুজব বন্ধে জন সম্পৃক্ততামূলক কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আছে উঠান বৈঠকের মাধ্যমে গুজববিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি, এলাকায় মাইকিং-লিফলেট বিতরণ, মসজিদের ইমামদের সঙ্গে ছেলেধরা গুজববিরোধী আলোচনা।

 

Comments

The Daily Star  | English

Broadband internet restored in selected areas

Broadband internet connections were restored on a limited scale yesterday after 5 days of complete countrywide blackout amid the violence over quota protest

5h ago