৩ ল্যাবে পরীক্ষা করা পাস্তুরিত দুধের প্রতিবেদন হাইকোর্টে জমা

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন প্রাপ্ত ১৪টি পাস্তুরিত দুধ কোম্পানির বাজারে থাকা নমুনা তিন সংস্থার ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
dairy farmer
স্টার ফাইল ছবি

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদন প্রাপ্ত ১৪টি পাস্তুরিত দুধ কোম্পানির বাজারে থাকা নমুনা তিন সংস্থার ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাগুলো হলো- বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি) ও বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির প্রতিবেদন এখনও দাখিল করা হয়নি।

গতকাল বিএসটিআইয়ের আইনজীবী পৃথক তিনটি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের বেঞ্চ প্রতিবেদনগুলো দেখে আইনজীবীদের প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে বলেন।

পরে রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার অনিক আর হক জানান, প্রতিবেদনগুলো আজ হলফনামা আকারে জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আজ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গত ১৪ জুলাই বিএসটিআইয়ের অনুমোদন প্রাপ্ত কোম্পানিগুলোর পাস্তুরিত দুধ পৃথক চারটি সংস্থার ল্যাবে পরীক্ষা করে এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যাকটেরিয়া ও ফরমালিনের পাশাপাশি অন্য কোনো ক্ষতিকর উপাদান আছে কী-না তা নিরূপণ করতে বলা হয়।

দুধে ভেজাল নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট করেন আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ। এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে গত বছরের ২১ মে এক আদেশে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের নিয়ে কমিটি গঠন করে বাজারে থাকা পাস্তুরিত দুধ পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

বিএসটিআইয়ের আইনজীবী গত ২৫ জুন আদালতে প্রতিবেদন উপস্থাপন করে। সেদিন তিনি বলেন, ১৪টি কোম্পানির পাস্তুরিত দুধে আশঙ্কাজনক বা ক্ষতিকর কোনো কিছু পাওয়া যায়নি। তবে একই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক এক সংবাদ সম্মেলনে একটি গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাস্তুরিত দুধের সাতটি নমুনার সবগুলোতে মানব চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক লেভোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন এবং ছয়টিতে এজিথ্রোমাইসিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এছাড়া সবগুলোতে ফরমালিন এবং তিনটি নমুনায় ডিটারজেন্টের উপস্থিতি ছিলো।

পরে গত ১৪ জুলাই শুনানিকালে বিএসটিআই স্বীকার করে যে অ্যান্টিবায়োটিক পরীক্ষার সক্ষমতা তাদের নেই। পরে হাইকোর্ট পৃথক চারটি ল্যাবরেটরি থেকে দুধ পরীক্ষা করে এক সপ্তাহের মধ্যে বিএসটিআইকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলে।

Comments

The Daily Star  | English

Inadequate Fire Safety Measures: 3 out of 4 city markets risky

Three in four markets and shopping arcades in Dhaka city lack proper fire safety measures, according to a Fire Service and Civil Defence inspection report.

2h ago