কোন দিকে যাবেন বুঝতে পারছেন না মোসাদ্দেক

আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে নেমে চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে রান পেয়েছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। কিন্তু একই মানসিকতা দ্বিতীয় ইনিংস ডুবিয়েছে তাকে। অ্যাপ্রোচ ঠিক রেখেও দুই রকম সাফল্য আসায় প্রশংসা আর গালমন্দ দুটোই জুটেছে তার। এই ব্যাটসম্যান তাই বুঝে উঠতে পারছেন না কোন অ্যাপ্রোচ নিয়ে আসলে উচিত ছিল খেলা।
Mosaddek Hossain
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

আগ্রাসী মেজাজ নিয়ে নেমে চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে রান পেয়েছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন। কিন্তু একই মানসিকতা দ্বিতীয় ইনিংস ডুবিয়েছে তাকে। অ্যাপ্রোচ ঠিক রেখেও দুই রকম সাফল্য আসায় প্রশংসা আর গালমন্দ দুটোই জুটেছে তার। এই ব্যাটসম্যান তাই বুঝে উঠতে পারছেন না কোন অ্যাপ্রোচ নিয়ে আসলে উচিত ছিল খেলা।

প্রথম ইনিংসে নেমেই ছক্কা মেরেছিলেন, পরে রশিদ খানদের দারুণ সামলে দিন পার করে এগুচ্ছিলেন ফিফটির দিকে। ৪৮ রানে তাকে অপরাজিত রেখেই বাকিরা আউট হয়ে যান। স্পিন সামলানোর দক্ষতায় দ্বিতীয় ইনিংসে তিনে প্রমোশন হয় মোসাদ্দেকের। কিন্তু এবার সুযোগটা হেলায় হাতছাড়া হয় তার।

পরিস্থিতির বিপরীতে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন ১২ রান করেই। প্রথম ইনিংসে ইতিবাচক মানসিকতায় রান করায় যেমন বাহবা পেয়েছিলেন, মানসিকতা একই থাকলে রান না পাওয়ায় এবার শুনতে হচ্ছে তেতো কথা।

তিনে নামিয়ে তার উপর ভরসা রাখা হয়েছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে বিশাল রান তাড়ায় দলের দাবিও ছিল ভিন্ন। সুযোগটা কাজে লাগাতে না পারা অনুভব করেও নিজের ভুলের আত্মপক্ষ সমর্থন করলেন তিনি,  'রান না করলে সুযোগটি তো অপচয় করার মতোই মনে হবে। অনেকের মনে হতে পারে যে মারতে গিয়ে আউট হয়েছি। প্রথম ইনিংসেও কিন্তু শুরু করেছি ছয় মেরে। দ্বিতীয় ইনিংসে ছয় হলে ব্যাপারটি অন্যরকম হতে পারতো। হয়নি এখন সেটি আসলে হতাশাজনক।'

‘দেখুন একেক জন ব্যাটসম্যান যখন ব্যাটিং করে তখন একেক জনের থিওরিটি অন্যরকম থাকে। একেকজন একেক স্টাইলে রান করতে পছন্দ করে। আমি যখন ব্যাটিং করতে নামি তখন চিন্তা করি একটি বাউন্ডারি হয়ে গেলে আমি হয়তো একটু নির্ভার থাকবো। এটি একেক জন একেক রকমভাবে মাইন্ড সেট করে আসলে। যখন প্রথম ইনিংসে আমি ছয় মারলাম তখন সবাই তালি দিয়েছিল, যখন দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়ে গেলাম তখন গালি দিবে এটাই স্বাভাবিক। এটি নিয়ে আমি আসলে খুব বেশি চিন্তিত না। এরপরে যখন খেলবো তখন হয়তো ভুলগুলো কমিয়ে আনার চেষ্টা করবো।’

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দুর্বলতা নিয়ে বলতে গিয়ে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান জানিয়েছিলেন, মন খুলে খেলেন না, ভয় নিয়ে খেলেন বলেই টেস্টে ভুগেন তারা। মোসাদ্দেক মনে করছেন মন খুলে খেলেও দ্রুত আউট হওয়ায় গালমন্দ শুনতে হচ্ছে তাকে। নিজের করনীয় পথটাই তার কাছে অস্পষ্ট, ‘দেখুন বিষয়টি এমন হয়েছে যে মন খুলে খেলতে গিয়ে আমি আউট হয়েছি। এটি নিয়েও আমার এখন প্রশ্নের উত্তর দেয়া লাগছে। আমি এখন কোন দিকে যাবো সেটি নিজে বুঝতে পারছি না। সামনে টি-টোয়েন্টি রয়েছে, আমি মনে করি এখানে বেশি ফোকাস করা উচিত এবং এটির উপরে আমরা আস্থা রাখছি এবং একটি ম্যাচ জিতে আমরা মোমেন্টাম আমাদের দিকে নিয়ে আসবো ইনশাল্লাহ। ’

Comments

The Daily Star  | English
Tips and tricks to survive load-shedding

Load shedding may spike in summer

Power generation is not growing in line with the forecasted spike in demand in the coming months centring on warmer temperatures, the fasting month and the irrigation season, leaving people staring at frequent and extended power cuts.

11h ago