শীর্ষ খবর

মনিরের নির্দেশে আবরারকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল: জবানবন্দিতে সাদাত

বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা মামলার আসামি এসএম নাজমুস সাদাত এই হত্যাকাণ্ডে তার সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই মামলার আরেক আসামি মনিরুজ্জামান মনিরের নির্দেশে তিনি ও তার ব্যাচেরই কয়েকজন ছাত্র আবরারকে রুম থেকে ডেকে নিয়েছিলেন।
Abrar Fahad
নিহত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা মামলার আসামি এসএম নাজমুস সাদাত এই হত্যাকাণ্ডে তার সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই মামলার আরেক আসামি মনিরুজ্জামান মনিরের নির্দেশে তিনি ও তার ব্যাচেরই কয়েকজন ছাত্র আবরারকে রুম থেকে ডেকে নিয়েছিলেন।

তবে জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন রাতে আবরারকে পেটানোর সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না।

এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান আজ সাদাতকে বিচারকের চেম্বারে নেওয়ার পর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাফুজ্জামান আনসারি জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জবানবন্দিতে সাদাত বলেন, ৬ অক্টোবর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে আনা হয় আবরারকে। এর পরই ১৫ ও ১৬ তম ব্যাচের ছাত্রলীগের অন্যান্যদের মধ্যে মেহেদী হাসান রবিন, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মুজাহিদুর রহমান মুজাহিদ ও মনিরুজ্জামান আবরারকে পেটাতে শুরু করেন।

পেটিয়ে হত্যার আগ পর্যন্ত আবরার বার বার পানি চাইলেও তাকে তা দেওয়া হয়নি বলেও জবানবন্দিতে বলেন সাদাত। ১৭তম ব্যাচের এই ছাত্র বলেন, তারা পানি দিতে চাইলেও সিনিয়রদের নির্দেশে তারা পানি দিতে পারেননি। আবরার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পরও তাকে হাসপাতালে নিতে দেয়নি তারা।

জবানবন্দি রেকর্ড করার পর সাদাতকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।

আবরার হত্যার ঘটনায় ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে সাত জন এরই মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। আবরারকে ডেকে আনা থেকে শুরু করে পিটিয়ে হত্যার বিবরণ দিয়েছেন তারা।

Comments