সেই ব্রুজকে উড়িয়ে দিল পিএসজি, এমবাপের হ্যাটট্রিক

নিজেদের মাঠে বেলজিয়াম ক্লাব ব্রুজের কাছে হারতে হারতে কোন রকমে ড্র করে মাঠ ছেড়েছিল ইউরোপের সবচেয়ে সফল দল রিয়াল মাদ্রিদ। অথচ সেই দলটিকে নিয়ে কি-না ছেলে খেলা করল ফরাসী ক্লাব প্যারিস সেইন্ত জার্মেই (পিএসজি)। তাদের মাঠেই তাদের রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে ফরাসী চ্যাম্পিয়নরা। হালের তরুণ তারকা কিলিয়েন এমবাপের হ্যাটট্রিকে ৫-০ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে দলটি।
ছবি: এএফপি

নিজেদের মাঠে বেলজিয়াম ক্লাব ব্রুজের কাছে হারতে হারতে কোন রকমে ড্র করে মাঠ ছেড়েছিল ইউরোপের সবচেয়ে সফল দল রিয়াল মাদ্রিদ। অথচ সেই দলটিকে নিয়ে কি-না ছেলে খেলা করল ফরাসী ক্লাব প্যারিস সেইন্ত জার্মেই (পিএসজি)। তাদের মাঠেই তাদের রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে ফরাসী চ্যাম্পিয়নরা। হালের তরুণ তারকা কিলিয়েন এমবাপের হ্যাটট্রিকে ৫-০ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে দলটি। 

এদিন ম্যাচের ৫২তম মিনিটে বদলী খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন কিলিয়েন এমবাপে। প্রথম গোল পেতে সময় নেন নয় মিনিট। এরপর বাকী দুই গোল করতে সময় নেন ২২ মিনিট। তাতেই হ্যাটট্রিক পূরণ হয় এ ফরাসী তরুণের। তবে শুধু তিনটি গোলই নয়, মাউরো ইকার্দির একটি গোলের যোগানও দিয়েছেন তিনি। জোড়া গোল করেছেন ইকার্দিও। এছাড়া তিন তিনটি গোলের যোগান দিয়েছেন আরেক আর্জেন্টাইন তারকা আনহেল দি মারিয়া।

ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি। দুই আর্জেন্টাইন তারকা দি মারিয়া ও ইকার্দির সমন্বয়ে গোল পায় দলটি। ডান প্রান্ত থেকে দি মারিয়ার ক্রসে আলতো টোকায় বল জালে জড়ান ইন্টার মিলান থেকে পিএসজিতে ধারে খেলতে আসা ইকার্দি। তবে দ্বিতীয় গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় তাদের ৬১ মিনিট পর্যন্ত। বাঁ প্রান্তে ডি-বক্সে ঢুকে দারুণ শট নিয়েছিলেন দি মারিয়া। ঝাঁপিয়ে পড়ে তা ফিরিয়ে দেন ব্রুজ গোলরক্ষক সাইমন মিগনোলেট। তবে ফাঁকায় ফিরতি বল পেয়ে যান এমবাপে। লাফিয়ে উঠে হেড দিয়ে গোল আদায় করে নেন এ তরুণ।

দুই মিনিট পর ব্যবধান আরও বাড়ায় পিএসজি। বাঁ প্রান্তে দি মারিয়ার কাছ থেকে বল পেয়ে ইকার্দিকে ক্রস দেন এমবাপে। আলতো শটে সে বল জালে জড়াতে কোন ভুল করেননি এ আর্জেন্টাইন। ৭৯তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল পান এমবাপে। দি মারিয়ার বাড়ানো বল ধরে ডি-বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে কাটিয়ে বল জালে পাঠান এ ফরাসী তরুণ।

চার মিনিট পর নিজের হ্যাটট্রিক আদায় করে নেন এমবাপে। প্রায় মাঝ মাঠ থেকে দি মারিয়ার নিখুঁত এক পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে কোণাকোণি শটে লক্ষ্যভেদ করেন বিশ্বকাপ জয়ী এ তরুণ। এরপর আরও বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিল দলটি। কিন্তু গোল না হলেও বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফরাসী দলটি।

Comments