নেইমারকে নিয়ে নতুন 'সমস্যায়' পিএসজি!

বলা হয়ে থাকে মেসি-রোনালদোদের পর ফুটবল বিশ্বের পরবর্তী সময়টা হতে যাচ্ছে কিলিয়েন এমবাপের। এরমধ্যেই নিজের জাত চিনিয়েছেন এ তরুণ। এমন খেলোয়াড়কে কি ছাড়তে চায় কোন ক্লাব? প্যারিস সেইন্ট জার্মেইও (পিএসজি) চাইছে না। ওইদিকে তার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ যে বাকী আর মাত্র দেড় মৌসুম। তাকে ধরে রাখতে নতুন করে প্রস্তাবও দিতে পারছে না ক্লাবটি। অন্যদিকে এমবাপেকে কিনতে যে মুখিয়ে রয়েছেন জিনেদিন জিদান।
neymar and mbappe
ছবি: এএফপি

বলা হয়ে থাকে মেসি-রোনালদোদের পর ফুটবল বিশ্বের পরবর্তী সময়টা হতে যাচ্ছে কিলিয়েন এমবাপের। এরমধ্যেই নিজের জাত চিনিয়েছেন এ তরুণ। এমন খেলোয়াড়কে কি ছাড়তে চায় কোন ক্লাব? প্যারিস সেইন্ট জার্মেইও (পিএসজি) চাইছে না। ওইদিকে তার সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ যে বাকী আর মাত্র দেড় মৌসুম। তাকে ধরে রাখতে নতুন করে প্রস্তাবও দিতে পারছে না ক্লাবটি। অন্যদিকে এমবাপেকে কিনতে যে মুখিয়ে রয়েছেন জিনেদিন জিদান।

এমবাপেকে আটকে রাখার জন্য লাভজনক প্রস্তাব দিতে না পারার মূল কারণে রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের উচ্চ বেতন। পাশাপাশি তার সঙ্গে করা চুক্তিও। চুক্তিতে সাফ লেখা রয়েছে ক্লাবের সর্বোচ্চ বেতনের অধিকারী হবেন এ ব্রাজিলিয়ান তারকাই। বেতন বোনাসসহ সবমিলিয়ে বছরে ৩৫ মিলিয়ন পাউন্ড নেন নেইমার। তাই এখন পর্যন্ত এমবাপেকে নতুন কোন প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। এমন সংবাদই প্রকাশ করেছে ফরাসী গণমাধ্যম এল'ইকুইপে।

পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই নিজেকে দলের অপরিহার্য খেলোয়াড় হিসেবে তৈরি করেছেন এমবাপে। তারকা খ্যাতিও নেইমারকে ছাড়িয়ে গেছে। স্বাভাবিকভাবেই ক্লাবের মূল ফোকাসটা তিনি চাইবেনই। আর তা দিতে মুখিয়ে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এরমধ্যেই তাকে কিনতে কয়েক দফা প্রস্তাব দিয়েছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। রিয়ালে যোগ দিলে তাকে ঘিরেই সব পরিকল্পনা হবে। আর বিশ্বের সর্বোচ্চ বেতন পাওয়ার লোভনীয় প্রস্তাব তো রয়েছেই।

পিএসজির স্পোর্টিং ডিরেক্টর লিওনার্দোও জানিয়েছেন এ কথা। জিদানের উপর এ নিয়ে বিরক্তিও প্রকাশ করেছেন তিনি, 'এটা খুবই বিরক্তিকর। এখন কোন স্বপ্ন দেখানো বা অন্যকিছু বলার সময় নয়। এটা অবশ্যই বন্ধ করা উচিৎ। এমবাপে আমাদের দলের খুবই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। আর এই মুহূর্তেই তার (জিদান) পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে হবে।'

ফরাসী গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী এমবাপেকে পেতে ৩০০ মিলিয়ন ইউরো দিতে রাজী হয়েছিল রিয়াল। কিন্তু পিএসজি থেকে এ প্রস্তাব সরাসরি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এমবাপেকে ধরে রাখতে চায় তারা। আর তা করতে হলে দ্রুতই নেইমার সমস্যার সমাধান করতে হবে। চলতি মৌসুমের শুরুতে বার্সেলোনায় ফিরতে চেয়েছিলেন এ ব্রাজিলিয়ান। কিন্তু অনেকটা জেদ দেখিয়েই তাকে আটকে রাখে ক্লাবটি। কোন মতেই বার্সেলোনায় তাকে ফিরতে দিতে রাজী ছিলেন না ক্লাবটির মালিক নাসের আল খেলাইফি।

এমবাপের মতো পিএসজির সঙ্গে নেইমারের চুক্তিও শেষ হবে ২০২২ সালে। তাকে অবশ্য ধরে রাখার তেমন কোন পরিকল্পনা নেই পিএসজির। কিন্তু এমবাপেকে ধরে রাখতে হলে নেইমারের সঙ্গে নতুন চুক্তিতে যেতে হবে অথবা ছেড়ে দিতে হবে তাকে। আর তা না হলে বড় লাভ হতে পারে রিয়ালের। ২০২২ সালের গ্রীষ্মের পর তো এমবাপেকে পেতে কোন অর্থই খরচ করতে হবে না ক্লাবটিকে।

Comments