এরচেয়ে বেশি স্যুয়িং মনে হয় না হবে: মুমিনুল

ইন্দোরে লাল বলে ভারতের পেসারদের গতি, স্যুয়িং আর নিখুঁত লাইনলেন্থে নাস্তানাবুদ হয়েছে বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়েও ব্যাট করতে পারেনি ১৩০ ওভার, করতে পারেনি চারশো রানও। স্বাভাবিকভাবেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে তিন দিনেই। কলকাতায় পরের টেস্ট হবে গোলাপি বলে, দিবারাত্রির। অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞের মতে গোলাপি বল স্যুয়িং করে আরও বেশি। লাল বলে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ গোলাপি বল সামলাবে কোন তরিকায়?
Mominul Haque

ইন্দোরে লাল বলে ভারতের পেসারদের গতি, স্যুয়িং আর নিখুঁত লাইনলেন্থে নাস্তানাবুদ হয়েছে বাংলাদেশ। দুই ইনিংস মিলিয়েও ব্যাট করতে পারেনি ১৩০ ওভার, করতে পারেনি চারশো রানও। স্বাভাবিকভাবেই ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে তিন দিনেই। কলকাতায় পরের টেস্ট হবে গোলাপি বলে, দিবারাত্রির। অনেক ক্রিকেট বিশেষজ্ঞের মতে গোলাপি বল স্যুয়িং করে আরও বেশি। লাল বলে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ গোলাপি বল সামলাবে কোন তরিকায়?

ভারতের কাছে ইনিংস ও ১৩০ রানে হেরে আসার পর অধিনায়ক মুমিনুল হকের জানিয়েছেন ইন্দোরে খেলেই হয়ে গেছে স্যুয়িংয়ের প্রস্তুতি।

দুই ইনিংসে বাংলাদেশের ২০ উইকেটের ১৪ উইকেটই নিয়েছেন ভারতের তিন পেসার। উইকেট নেওয়া ছাপিয়েও প্রতি মুহূর্তে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের কাছে আতঙ্ক ছড়াতে দেখা গেছে তাদের। বারবার পরাস্ত করে নাড়িয়ে দিয়েছেন খেলার ভিত। প্রথম টেস্টে স্রেফ উড়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের সামনে এবার গোলাপি বলের চ্যালেঞ্জ।

মুমিনুল জানান কৃত্রিম আলোর নিচে প্রস্তুতি নিবেন কিন্তু আসল প্রস্তুতি হয়ে গেছে মাঠের খেলায়,  ‘আমার কাছে মনে হয় কৃত্রিম আলোর নিচে যতটুকু প্রস্তুতি নেওয়া যায় অতটুকুই ভালো। তবে আমরা যে সুইংয়ে খেলেছি, এরচেয়ে বেশি সুইং মনে হয় না হবে। অনেক বেশি সুইংয়ে ভালো প্রস্তুতি হয়ে গেছে বলে আমার মনে হয়। হয়তো একটু চ্যালেঞ্জ থাকবে, চ্যালেঞ্জটা একটু ভালোভাবে নেয়া উচিত। ইতিবাচকভাবে নিতে হবে।’

ইন্দোর টেস্টে ব্যর্থতার কারণ হিসেবে ভারতের পেসারদের স্কিলের পাশে নিজেদের প্রয়োগের ভুল রাখছেন মুমিনুল, ‘অবশ্যই হুমকি ছিল (ভারতের পেস আক্রমণ)। একই সঙ্গে মনে হয় আমরা ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হয়েছি। হুমকি তো ছিল, নাহলে ওদের যে তিনজন বোলার আছে তাদেরকে নিয়ে ভারত এখন বিশ্বের এক নম্বর বোলিং দল। এখানে বড় একটি হুমকি ছিল, আমরাও সেভাবে সুযোগ কাজে লাগাতে পারিনি।’ 

Comments

The Daily Star  | English

Cyclones fewer but fiercer since the 90s

Though the number of cyclones in general has come down in Bangladesh over the years, the intensity of the cyclones has increased, meaning the number of super cyclones has gone up, posing a greater threat to people in coastal areas, a recent study found

2h ago