খেলা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্রিকেট প্রেমে মুগ্ধ সৌরভ

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে উপমহাদেশের প্রথম গোলাপি বলের দিবা-রাত্রির টেস্টের উদ্বোধন করতে আসা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। বাংলাদেশের সরকার প্রধানের ক্রিকেট প্রেম ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) প্রধানের কাছে মনে হয়েছে অবিশ্বাস্য। কেবল প্রধানমন্ত্রীর জন্যই আগামী বছর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সৌরভ।

কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে উপমহাদেশের প্রথম গোলাপি বলের দিবা-রাত্রির টেস্টের উদ্বোধন করতে আসা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি মুগ্ধতার কথা জানিয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। বাংলাদেশের সরকার প্রধানের ক্রিকেট প্রেম ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) প্রধানের কাছে মনে হয়েছে অবিশ্বাস্য। কেবল প্রধানমন্ত্রীর জন্যই আগামী বছর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন সৌরভ।

বিসিসিআই সভাপতি হওয়ার পরই বাংলাদেশ-ভারতের সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টকে দিবা-রাত্রির গোলাপি বলে আয়োজনের উদ্যোগ নেন সৌরভ। তার প্রস্তাবে রাজি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সৌরভের আমন্ত্রণেই এই টেস্ট উদ্বোধন করতে কলকাতা আসেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা।

ঐতিহাসিক তকমা পাওয়া এই টেস্ট তিন দিনেই ভারতের কাছে বাংলাদেশ হেরে যাওয়ায় সব আয়োজনও হয়েছে সাঙ্গ। রবিবার (২৪ নভেম্বর) শেষ হয়েছে কলকাতার গোলাপি উৎসব। সবকিছু ঠিকঠাক শেষ করে ভারতীয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ কর্তা বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে জানান নিজের তৃপ্তির কথা, ‘আপনাদের প্রধানমন্ত্রী অবিশ্বাস্য। উনাকে আমার অনেক অনেক শুভেচছা, ভালোবাসা, প্রণাম। খেলাধুলার প্রতি উনার অগাধ ভালোবাসা। একজন প্রধানমন্ত্রী এখানে বক্সে এসে বলছেন, আমি সারাদিন খেলা দেখব, হোটেলে যাব না। একজন প্রধানমন্ত্রীর মু্খ থেকে এ ধরনের কথা অবিশ্বাস্য। উনাকে আমার পক্ষ থেকে প্রণাম দেবেন।’

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী বছর এশিয়া একাদশ ও বিশ্ব একাদশের মধ্যে দুটি প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজন করতে যাচ্ছে বিসিবি। এই আয়োজনে কেবল শেখ হাসিনার সম্মানেই উপস্থিত থাকার কথা জানান সৌরভ, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আগামী বছরের ১৭ মার্চ। আমি ওখানে (বাংলাদেশে) যাব, শুধু উনার (প্রধানমন্ত্রীর) জন্য।’

ভারতের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক বাজেভাবে হেরে যাওয়া বাংলাদেশ দলকেও দিয়েছেন পরামর্শ, ‘আমি মনে করি, একটু নিবেদন লাগবে, একটু সাহস লাগবে। ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ভালো খেলে। টেস্ট ক্রিকেট হচ্ছে “বেস্ট ফর্ম অব ক্রিকেট”। একটু জোরে বল (পেস) খেলার জন্য সাহস (লাগবে)। সামর্থ্য আছে, স্কিল আছে। কেউ দেখে বলবে না, মুশফিক, মাহামুদুল্লাহ, তামিম, সাকিবের সামর্থ্য নাই। মোস্তাফিজেরও সামর্থ্য আছে। কিন্তু বিরাট কোহলি যখন ব্যাট করে, তখন মনে হয়, প্রতি বলই তার জীবণ-মরণ।’

Comments