অবসর নিলেন ইরফান পাঠান

জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ ম্যাচটা খেলেছিলেন ২০১২ সালের অক্টোবরে। ২০১৬ সালের পর আর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও (আইপিএল) খেলা হয়নি তার। চলে গিয়েছেন একেবারে হিসাবের বাইরে। তবুও ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা আসছিল তার কাছ থেকে। অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় বলে দিয়েছেন ভারতের বাঁহাতি পেসার ইরফান পাঠান।
irfan pathan
ছবি: এএফপি

জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ ম্যাচটা খেলেছিলেন ২০১২ সালের অক্টোবরে। ২০১৬ সালের পর আর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগেও (আইপিএল) খেলা হয়নি তার। চলে গিয়েছেন একেবারে হিসাবের বাইরে। তবুও ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা আসছিল তার কাছ থেকে। অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় বলে দিয়েছেন ভারতের বাঁহাতি পেসার ইরফান পাঠান।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) পেশাদার ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী ইরফান। শুরুর দিকে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে সাড়া ফেলে দিলেও আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার লম্বা করতে পারেননি তিনি।

২০০৩ সালের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পা রেখেছিলেন ইরফান। মাত্র ১৯ বছর বয়সে। চার বছর পর প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের শিরোপা জয়ে রেখেছিলেন দারুণ অবদান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ফাইনালে ১৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। পুরো আসরে নিয়েছিলেন ১০ উইকেট, মাত্র ১৪.৯০ গড়ে। এর আগে ২০০৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষেই অনবদ্য এক কীর্তি গড়েছিলেন তিনি। টেস্ট ম্যাচের প্রথম ওভারেই করেছিলেন হ্যাটট্রিক।

সবমিলিয়ে ২৯ টেস্ট, ১২০ ওয়ানডে ও ২৪ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ইরফান। সাদা পোশাকে তার উইকেট সংখ্যা ১০০, ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ১৭৩ ও ক্ষুদ্রতম সংস্করণে ২৮। পেসার হিসেবে শুরু করলেও পরের দিকে ব্যাট হাতেও কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিলেন। টেস্টে সেঞ্চুরিও আছে তার। প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তানই।

বিদায়ী বার্তায় ইরফান বলেছেন, ’২৭-২৮ বছরে মানুষ ক্যারিয়ারের সেরাটা দিতে শুরু করে এবং ৩৫ বছর পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যায়। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে... আমি ২৭ বছর বয়সের মধ্যে ৩০১টি আন্তর্জাতিক উইকেট নিয়ে ফেলেছিলাম এবং সেখানেই শেষ।’

‘২০১৬ সালের পর বুঝে গিয়েছিলাম যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর আমার ফেরা হচ্ছে না। ওই মৌসুমের (২০১৫-১৬) সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফিতে আমি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ও সেরা অলরাউন্ডার ছিলাম, কিন্তু আমাকে নেওয়া হয়নি (দলে)। আমাকে বলা হয়েছিল, আমার বোলিং নিয়ে নির্বাচকরা খুশি না। আমি বুঝে গিয়েছিলাম, আমার সময় শেষ।’

Comments

The Daily Star  | English

DMCH doctors threaten strike after assault on colleague

A doctor at Dhaka Medical College Hospital (DMCH) was allegedly assaulted yesterday after the death of a private university student there, with some of his peers accusing the physicians of neglecting their duty in his treatment

4h ago