আবারও অশান্ত শান্তর ব্যাট, খুলনা পেল লড়াইয়ের পুঁজি

আগের ম্যাচে ঝড়ো সেঞ্চুরিতে মাত করে দলকে কোয়ালিফায়ারে এনেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এদিন শুরুতে ‘নো’ বলের কারণে বেঁচে যাওয়ার পর ফের শান্তর ব্যাট হয়ে উঠে উত্তাল। আরেকটি ঝড়ো ইনিংসে এই বাঁহাতি ওপেনার দলকে এনে দিয়েছেন ফাইনালে যাওয়ার পুঁজি।
Nazmul Hossain Shanto
ছবি: ফিরোজ আহমেদ

আগের ম্যাচে ঝড়ো সেঞ্চুরিতে মাত করে দলকে কোয়ালিফায়ারে এনেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এদিন শুরুতে ‘নো’ বলের কারণে বেঁচে যাওয়ার পর ফের শান্তর ব্যাট হয়ে উঠে উত্তাল। আরেকটি ঝড়ো ইনিংসে এই বাঁহাতি ওপেনার দলকে এনে দিয়েছেন ফাইনালে যাওয়ার পুঁজি।

সোমবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং পেয়ে  ৩ উইকেটে ১৫৮  রান করেছে খুলনা টাইগার্স। দলকে লড়াইয়ের পূঁজি পাইয়ে দিয়ে শান্ত খেলেছেন ৫৭ বলে অপরাজিত ৭৮ রানের ইনিংস।

শিশির ভেজা মাঠে রান তাড়াতেই সুবিধা। টস জিতে রাজশাহী রয়্যালস অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল তাই অনুমিতভাবেই নিয়েছিলেন ফিল্ডিং। খুলনাকে চেপে ধরে শুরুটাও দারুণ হয় তাদের। আগের ম্যাচে রান পাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ এদিন ৮ রান করে মোহাম্মদ ইরফানের বলে ক্যাচ দেন স্লিপে। ইরফানের বলেই দলের সবচেয়ে বড় ভরসা রাইলি রুশ ফেরেন কোন রান না করেই।

খানিক পর শোয়েব মালিকের বলে বোল্ড হয়ে গিয়েছিলেন শান্তও। অফ স্পিনার শোয়েবের দারুণ টার্নে বেরিয়ে এসে পরাস্ত হয়ে লাইন মিস করেন তিনি। কিন্তু ৯ রানে থাকা শান্ত বেঁচে যান শোয়েবের ওভারস্টেপিংয়ের কারণে। ‘নো বলে’ পাওয়া ওই সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছেন শান্ত। ওই ওভারেই ছক্কা-চারে উড়িয়েছেন শোয়েবকে। শামসুর রহমানকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে গড়েন ৭৮ রানের জুটি।

শামসুর ৩১ বলে ৩২ করে ফেরার পর ৩৫ বলে ফিফটি তুলে নেন শান্ত। ফিফটির পর আবারও জীবন পান তিনি। ৫৭ এবার তার ক্যাচ হাতে জমাতে পারেননি আফিফ হোসেন ধ্রুব।

শেষটায় মুশফিক আহত হয়ে মাঠ ছাড়া মুশফিক ১৬ বলে ২১ আর নাজিবুল্লাহ জাদরানের ৫ বলে ১২ রানে দেড়শ ছাড়িয়ে যায় খুলনা।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

খুলনা টাইগার্স: ২০ ওভারে ১৫৮/৩  (শান্ত  , মিরাজ ৮, রুশো ০, শামসুর ৩২, মুশফিক ২১ (আহত অবসর), নাজিব ; ইরফান ২/১৩,  জায়েদ ০/২১, শোয়েব ০/২৩, রাসেল ০/৩৩, রাব্বি ০/২০, তাইজুল ০/২২, বোপারা ১/২৪)

Comments

The Daily Star  | English

Govt may go for quota reforms

The government is considering a “logical reform” in the quota system in the public service, but it will not take any initiative to that end or give any assurances until the matter is resolved by the Supreme Court.

1d ago