অসুস্থ মাকে দেখতে কোয়ারেন্টিন ভাঙলেন হিগুয়েইন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন জুভেন্টাসের দুই খেলোয়াড়ের। তাই বাধ্য হয়েই দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও অন্যান্য স্টাফদের কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আর নিজেকে ঘরে আটকে রাখতে পারেননি দলটির অন্যতম ফরোয়ার্ড গঞ্জালো হিগুয়েইন। ইতালি ছেড়ে ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনায় পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।
ছবি: এএফপি

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন জুভেন্টাসের দুই খেলোয়াড়ের। তাই বাধ্য হয়েই দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও অন্যান্য স্টাফদের কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে আর নিজেকে ঘরে আটকে রাখতে পারেননি দলটির অন্যতম ফরোয়ার্ড গঞ্জালো হিগুয়েইন। ইতালি ছেড়ে ইতোমধ্যে আর্জেন্টিনায় পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।

ইতালিয়ান গণমাধ্যম লা রিপাবলিকা ও লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্তের সংবাদ অনুযায়ী, একটি প্রাইভেট জেট ভাড়া করে আর্জেন্টিনায় ফিরেছেন হিগুয়েইন। তবে স্বদেশে ফেরার পথে ইতালির তুরিন বিমানবন্দরে তাকে আটকে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে নিজের কোভিড-১৯ পরীক্ষার নেতিবাচক রিপোর্ট দেখিয়ে সেখান থেকে ছাড়া পান তিনি। এ সময় আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারের সঙ্গে তার স্ত্রী ও সন্তানরাও ছিল।

কদিন আগে জুভেন্টাসের খেলোয়াড়দের মধ্যে সবার আগে দানিয়েল রুগানির করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এরপর ব্লেইস মাতুইদির শরীরেও ভাইরাসটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তাই জুভেন্টাসের সকল খেলোয়াড়কে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে আরও এক সপ্তাহ কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা ছিল হিগুয়েইনের। কিন্তু মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে ইতালি ছেড়ে আর্জেন্টিনায় গেছেন তিনি।

লা গাজেত্তার সংবাদ অনুযায়ী, হিগুয়েনের ক্লাব সতীর্থ উরুগুইয়ান তারকা রদ্রিগো বেনতানকুরও যাত্রায় সঙ্গী হতে চেয়েছিলেন। তবে জুভেন্টাস কর্তৃপক্ষ থেকে অনুমতি পাননি তিনি।

বিশ্বব্যাপী মহামারি রূপ নেওয়া করোনা ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইতালিতে সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। চীনের চেয়েও মৃতের সংখ্যা এখন বেশি সেখানে। গত এক মাসে ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৩ হাজার ৪০৫ জন মারা গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪১ হাজার। উদ্বেগজনক অবস্থায় পুরো ইতালি অবরুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English

Abu sayed’s death in police firing: Cops’ FIR runs counter to known facts

Video footage shows police shooting at Begum Rokeya University student Abu Sayed, who posed no physical threat to the law enforcers, during the quota reform protest near the campus on July 16. He died soon afterwards.

9h ago