সর্বোচ্চ আয়ে শীর্ষে মেসি-রোনালদো-নেইমার
অনেক বছর ধরেই সর্বোচ্চ আয়ের দিক থেকে শীর্ষ আয়কারী ফুটবলার বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। চলতি বছরও ধরে রেখেছেন সে ধারা। 'ফ্রান্স ফুটবল' ম্যাগাজিনের প্রকাশিত তালিকায় এ বছরও আয়ের দিক থেকে শীর্ষেই আছেন বার্সা অধিনায়ক। তার পরেই আছেন জুভেন্টাসের পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর (পিএসজি) ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের অবস্থান তৃতীয় স্থানে।
বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দিয়ে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে টপকে বেতন-ভাতায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্থানে উঠেছিলেন নেইমার। এরপরই নিজের বেতন বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য রিয়াল মাদ্রিদকে চাপ দিয়েছিলেন রোনালদো। তবে রিয়াল রাজি না হওয়ায় জুভেন্টাসে যোগ দিয়ে ঠিকই বাড়িয়ে নেন। ফলে গত বছরই নেইমারকে টপকে ফের দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসেন রোনালদো। সেরা তিনে তাই নতুন কোন পরিবর্তন নেই।
১৯৯৯ সাল থেকে প্রতি বছরই সর্বোচ্চ বেতনধারী খেলোয়াড়-কোচদের নাম প্রকাশ করে ফ্রান্স ফুটবল। বেতন, বোনাস ও অন্যান্য আয় মিলিয়ে প্রতি বছরই একটি তালিকা প্রকাশ করে তারা। এ ম্যাগাজিনটির সূত্র মতে বছরে প্রায় ১৩১ মিলিয়ন ইউরো উপার্জন করেন মেসি। জুভেন্টাস থেকে রোনালদো বছরে পান ১১৮ মিলিয়ন ইউরো। গত বছরই ৫ মিলিয়ন ইউরো বেতন বাড়ে তার। গত বছর সাড়ে ৪ মিলিয়ন বেতন বাড়ায় নেইমারের বাৎসরিক আয় ৯৫ মিলিয়ন ইউরো।
নিয়মিত খেলার সুযোগ না পেলেও আয়ের দিকে চতুর্থ স্থানে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের ওয়েলশ তারকা গ্যারেথ বেল। বছরে তার আয় ৩৮.৮ মিলিয়ন ইউরো। এরপর আছেন অ্যাতলেতিকো ছেড়ে চলতি মৌসুমের শুরুতে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া আতোঁয়ান গ্রিজমান। ষষ্ঠ স্থানে আছেন রিয়ালের আরেক তারকা এদেন হ্যাজার্ড। সেরা দশের অপর তারকারা হলেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, রহিম স্টার্লিং, রবার্ট লেভানডস্কি ও কিলিয়েন এমবাপে।
মেসির মতো কোচদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের আর্জেন্টাইন কোচ দিয়াগো সিমিওনি। সবমিলিয়ে প্রতি বছর তার আয় সাড়ে ৪০ মিলিয়ন ইউরো। দ্বিতীয় স্থানে আছেন ইন্টার মিলানের নতুন কোচ এন্তোনিও কন্তে। তিনি ৩০ মিলিয়ন ইউরো অর্জন করেন বছরে। তৃতীয় স্থানে আছেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা। বাৎসরিক সাড়ে ২৭ মিলিয়ন ইউরো আয় তার।
নারী খেলোয়াড়দের মধ্যে সর্বোচ্চ আয় করেন আমেরিকান তারকা কার্লি লয়েড। বাৎসরিক ৪ লাখ ৮০ হাজার ইউরো আয় করেন তিনি। তার পরেই আছেন স্বদেশী মেগান রাপিনি। ৪ লাখ ২৫ হাজার ইউরো বছরে পান তিনি। তৃতীয় স্থানে থাকা নরওয়ের আদা হেজেরবার্গের বাৎসরিক আয় ৪ লাখ ইউরো।
Comments