করোনা মোকাবিলায় হাসপাতালে ১০ লাখ ইউরো দিলেন মেসি

করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রায় সব ধরনের খেলা বন্ধ হয়ে আছে। প্রতিনিয়তই বাড়ছে এ ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। স্পেনেও ভাইরাসটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এমন দুঃসময়ে এগিয়ে এসেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনার জন্য বার্সেলোনার একটি হাসপাতালকে এক মিলিয়ন (দশ লাখ) ইউরো দান করেছেন রেকর্ড ছয় বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী আর্জেন্টাইন তারকা।

করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে প্রায় সব ধরনের খেলা বন্ধ হয়ে আছে। প্রতিনিয়তই বাড়ছে এ ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। স্পেনেও ভাইরাসটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এমন দুঃসময়ে এগিয়ে এসেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনার জন্য বার্সেলোনার একটি হাসপাতালকে এক মিলিয়ন (দশ লাখ) ইউরো দান করেছেন রেকর্ড ছয় বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী আর্জেন্টাইন তারকা।

মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যম টুইটারে টুইট করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ‘কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে লিওনেল মেসি আমাদেরকে অনুদান দিয়েছেন। প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং সমর্থন দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ লিও।’

তবে অনুদানের অর্থের পরিমাণ উল্লেখ করেনি হাসপাতালটি। স্প্যানিশ গণমাধ্যম মুন্দো দিপর্তিভো জানিয়েছে, মেসি দিয়েছেন এক মিলিয়ন ইউরো।

মাতৃভূমি না হলেও ১৩ বছর বয়স থেকে স্পেনেই থাকছেন মেসি। তাই স্বাভাবিকভাবেই দেশটির প্রতি বাড়তি ভালোবাসা কাজ করে তার। বার্সেলোনার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়মিতই আর্থিক সাহায্য করে থাকেন তিনি। গেল বছরও নতুন ক্যান্সার উইং খোলার জন্য ‘সেইন্ট হোয়ান দে দেউ’ শিশু হাসপাতালকে নিজের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাহায্য করেছিলেন মেসি।

করোনাভাইরাসের প্রভাব বাড়ার পর থেকেই সবাইকে ঘরে থাকতে ও নিয়মিত হাত ধোয়ার পরামর্শ দিয়ে ক্যাম্পেইন করছেন বার্সা অধিনায়ক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়েছেন সচেতনতামূলক ভিডিও বার্তাও।

এ ছাড়া মেসির সাবেক গুরু ও বর্তমান ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলাও বার্সেলোনার অন্য একটি হাসপাতালে এক মিলিয়ন ইউরো দান করেছেন জানিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে মুন্দো দিপর্তিভো।

ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইতালির পর স্পেনেই করোনাভাইরাস সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করেছে। এ পর্যন্ত, মোট ৪২ হাজার ৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ২ হাজার ৯৯১ জন।

Comments

The Daily Star  | English

Personal data up for sale online!

A section of government officials are selling citizens’ NID card and phone call details through hundreds of Facebook, Telegram, and WhatsApp groups, the National Telecommunication Monitoring Center has found.

47m ago