এ বছরই আর আইপিএল হচ্ছে না!

শুরু হওয়ার কথা ছিল মার্চের শেষ দিকে। তবে করোনাভাইরাসের হানায় আইপিএল স্থগিত করা হয় আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় এবার আসছে আরও খারাপ খবর। স্থগিত নয়, চলতি বছরের আইপিএল একেবারে বাতিল করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)!
Kane Williamson-IPL
ফাইল ছবি: এএফপি

শুরু হওয়ার কথা ছিল মার্চের শেষ দিকে। তবে করোনাভাইরাসের হানায় আইপিএল স্থগিত করা হয় আগামী ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত। পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় এবার আসছে আরও খারাপ খবর। স্থগিত নয়, চলতি বছরের আইপিএল একেবারে বাতিল করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)!

সোমবার ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আইপিএলের এক প্রশাসকের বরাতে জানিয়েছে, আইপিএল বাতিল হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার। সরকারের কাছ থেকে লকডাউন ও বিদেশিদের ভিসা নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত আসা মাত্রই জানিয়ে দেওয়া হবে বাতিলের সিদ্ধান্ত। অর্থাৎ লকডাউন দীর্ঘ হওয়া ও বিদেশি ভ্রমণ ভিসা স্থগিতের সময়সীমা আরও বাড়ানোর আভাস পরিষ্কার।

আইপিএল পরিচালনা কমিটির এক সদস্য নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, ‘এই বছর আর আইপিএল হবে না। আগামী বছর হবে। আমরা জানি পুরো দেশের কী অবস্থা, কেউ এই সময়ে ঝুঁকি নেবে না। খেলার মাঠে তো সামাজিক দূরত্ব রাখা সম্ভব না। কাজেই পরের বছর আইপিএল খেলাই হবে ভালো।’

তিনি জানান, ২০২১ সালের আইপিএলে থাকবে না কোনো নিলাম। বর্তমান স্কোয়াডই খেলাতে পারবে দলগুলো, ‘একইসঙ্গে আগামী বছর কোনো নিলামও হবে না। আমরা ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে জানিয়ে দিয়েছি, সরকারের কাছ থেকে নিশ্চয়তা পেলে এই মৌসুমটাই পরের বছর হবে।’

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ভারত জুড়ে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। দেশটিতে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ হাজার, এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯ জন। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনার প্রকোপ।

কবে এই সংকট থেকে বিশ্ব পরিত্রাণ পাবে তা নিশ্চিত হতে না পারায় থমকে আছে খেলার দুনিয়া। এর আগে বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি আভাস দিয়েছিলেন, সীমিত আকারে হতে পারে বাণিজ্যিকভাবে ভীষণ লাভবান এই আসর। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তা-ও আর করার উপায় নেই। ভারতীয় বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক জয় শাহ এক বিবৃতিতে বলেছেন, এই মুহূর্তে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যের বিষয়কেই তারা বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

Comments

The Daily Star  | English

Create right conditions for Rohingya repatriation: G7

Foreign ministers from the Group of Seven (G7) countries have stressed the need to create conditions for the voluntary, safe, dignified, and sustainable return of all Rohingya refugees and displaced persons to Myanmar

1h ago