‘ধোনিকে দ্রুত অবসরের দিকে ঠেলে দেওয়া উচিত নয়’

চলতি বছরের আইপিএল ছিল ধোনির জন্য বড় এক পরীক্ষা। কারণ কোচ রবি শাস্ত্রী বলেই দিয়েছিলেন, আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা পেতে হলে আইপিএলে দারুণ কিছু করে দেখাতে হবে ধোনিকে।
ছবি: এএফপি

সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সময়ই গুঞ্জন উঠেছিল, মহেন্দ্র সিং ধোনি খেলছেন শেষবারের মতো। কিন্তু বিশ্বকাপ পেরিয়ে অনেকদিন চলে গেলেও তার অবসর নেওয়ার বিষয়টা তা সত্য হয়নি। আবার ধোনিকে খেলতেও দেখা যায়নি। লম্বা সময় জাতীয় দল থেকে দূরে থাকা সাবেক এই অধিনায়ক কবে অবসর নেবেন তা নিয়ে নিয়মিতই কোনো না কোনো খবর হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমে। তবে গুঞ্জন ছাপিয়ে ধোনি প্রস্তুত হচ্ছিলেন আইপিএলের জন্য। কিন্তু করোনাভাইরাসে সেটাও থমকে গেছে। নানা রকমের আলাপের মাঝে সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হুসেইন অবশ্য মনে করেন, এখনও ধোনির দেওয়ার আছে অনেক।

চলতি বছরের আইপিএল ছিল ধোনির জন্য বড় এক পরীক্ষা। কারণ কোচ রবি শাস্ত্রী বলেই দিয়েছিলেন, আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা পেতে হলে আইপিএলে দারুণ কিছু করে দেখাতে হবে ধোনিকে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সব ধরনের খেলাধুলাই থমকে আছে। চলতি বছরের আইপিএল থেকে শুরু করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, সব রকমের আসরকে ঘিরে আছে অনিশ্চয়তা। ৩৮ পেরুনো ধোনি কি তবে শেষ দেখেই ফেললেন?

নাসের এই কথায় করলেন দ্বিমত। জানালেন, ধোনিকে এখনই বিদায় বলে দেওয়াটা অন্যায় হবে, ‘ধোনি একবার অবসর নিলে তাকে আর ফেরানো যাবে না। কাজেই ধোনিকে দ্রুত অবসরের দিকে ঠেলে দেওয়া উচিত নয়। ও কেমন মানসিক পরিস্থিতিতে আছে, কেবল নিজেই জানে। ওকে দলে নেওয়া বা না নেওয়া অবশ্য নির্বাচকদের ব্যাপার।’

কেবল ঘরোয়া ক্রিকেট নয়, ভারতীয় দলেও ধোনির দেওয়ার অনেক কিছু দেখছেন নাসের, ‘যদি প্রশ্ন করা হয় জাতীয় দলে ফিরতে পারবে ধোনি? আমি যতটুকু তাকে দেখেছি, মনে হয়েছে, এখনও অনেক কিছু দেওয়ার আছে তার।’

গত বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ধোনির মন্থর ব্যাটিং হয় সমালোচিত। প্রশ্ন ওঠে বয়সের সঙ্গে রিফ্লেক্স কমে যাওয়ায় তার ক্যারিয়ার কি তবে শেষের পথে? সাবেক ইংলিশ কাপ্তান এর উত্তরেও পরিসংখ্যান বিচারে ভারতের সফলতম অধিনায়কের পাশে দাঁড়ালেন, ‘বিশ্বকাপে দু-একটা ভুল করেছে সে। রান তাড়া করতে গতি বাড়াতে পারেনি। তবে এখনও সেরাটা দেওয়ার সামর্থ্য আছে ওর। কাজেই যারা ধোনির শেষ দেখে ফেলছেন, তারা সতর্ক থাকুন।

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

9h ago