খেলা

রোনালদোর মহৎ উদ্যোগ, বোনাসের অর্ধেক দান করছে পর্তুগাল

উদ্যোগের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, জানিয়েছেন তার পর্তুগিজ সতীর্থ ও ম্যানচেস্টার সিটি ফরোয়ার্ড বার্নার্দো সিলভা।
ronaldo and bernardo
ছবি: এএফপি

পর্তুগালের অপেশাদার ক্লাবগুলোকে আর্থিকভাবে সাহায্য করতে মহৎ এক উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির জাতীয় ফুটবল দল। আগামী ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়ে পাওয়া বোনাসের অর্ধেক দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলটির খেলোয়াড়রা। আর এই উদ্যোগের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, জানিয়েছেন তার পর্তুগিজ সতীর্থ ও ম্যানচেস্টার সিটি ফরোয়ার্ড বার্নার্দো সিলভা।

চলমান উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে মাঠের ফুটবল বন্ধ অনেক দিন ধরে। প্রায় সব লিগ ও ইভেন্ট স্থগিত করা হয়েছে। তাতে পেশাদার ক্লাবগুলোর মতো অপেশাদার ও সৌখিন দলগুলোও পড়েছে চরম অর্থ-সংকটে। এমন দুঃসময়ে জাতীয় দলের সতীর্থদের নিয়ে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড রোনালদো। দলগুলো যেন উদ্ভূত আর্থিক সংকট মোকাবিলা করতে পারে, সেজন্য বিরাট অঙ্কের অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। আর তাতে সায় দিয়েছেন দলের বাকিরা।

আমেরিকান গণমাধ্যম ব্লিচার রিপোর্টের কাছে সিলভা বলেছেন, ‘সে-ই (রোনালদো) মূল (উদ্যোক্তা), যে দুই-তিনদিন আগে অর্থ দান করার পরিকল্পনাটা আমাদের জানায়। আমরা ২০২০ ইউরোতে জায়গা করে নিয়েছি, যেটা এখন ২০২১ ইউরো। সে আমাদের বলেছিল যে, বোনাসের একটা অংশ দান করা উচিত। তো আমাদের জাতীয় দল-দলের খেলোয়াড়রা ইউরোর মূল পর্বে উঠে পাওয়া বোনাসের ৫০ শতাংশ দান করতে যাচ্ছে।’

এরই মধ্যে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন (এফপিএফ) অপেশাদার ফুটবল ক্লাবগুলোর সাহায্যার্থে একটি তহবিল গঠন করেছে। তারা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রোনালদোদের দেওয়া অর্থ ওই তহবিলে জমা করা হবে। তবে বোনাসের অর্থের ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ওই তহবিল থেকে মোট ৪.৭ মিলিয়ন (৪৭ লাখ) ইউরো পাওয়া যাবে।

Comments

The Daily Star  | English
Inflation in Bangladesh

Economy in for a double whammy

With inflation edging towards double digits and quarterly GDP growth nearly halving year on year, pressure on consumers is mounting and experts are pointing at even darker clouds.

7h ago