৩ মাসের বেতন বকেয়া, মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন বাঁকখালী সেতু নির্মাণশ্রমিকরা

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর উপর সেতু নির্মাণে কর্মরত প্রায় ৩৫ জন শ্রমিক গত তিন মাসের বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশের বিভিন্ন জেলা লকডাউন করা হয়েছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে জনসমাগম, বন্ধ করা হয়েছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর। সড়ক, রেল ও আকাশ পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বেতন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েছেন।
Icon_Eng_service
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের বাঁকখালী নদীর উপর সেতু নির্মাণে কর্মরত প্রায় ৩৫ জন শ্রমিক গত তিন মাসের বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশের বিভিন্ন জেলা লকডাউন করা হয়েছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে জনসমাগম, বন্ধ করা হয়েছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তর। সড়ক, রেল ও আকাশ পথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। বেতন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা অসহায় অবস্থার মধ্যে পড়েছেন।

নাম গোপন রাখার শর্তে এক নির্মাণ শ্রমিক দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘জানুয়ারি থেকে বেতন নেই। প্রতিদিন ভাতা হিসেবে ৫০ টাকা দেওয়া হতো। এ মাস থেকে সেটাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, অনাহারে দিন কাটছে। পরিবারকে টাকা পাঠাতে পারছি না। কখনো এতটা অসহায় বোধ করিনি।’

বাঁকখালী নদীর উপর সেতু প্রকল্পটি নির্মাণ করছে আইকন ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের অধীনে কাজ করছেন ৩৫ শ্রমিক।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইকন ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসের মহাব্যবস্থাপক হারুন উর রশিদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমরা ব্যাংকে বলে দিয়েছি জানুয়ারি মাসের বেতন জমা করে দিতে। বাকি মাসের বেতনগুলো দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। দেশের অনেক জায়গায় আমাদের নির্মাণ কাজ চলছে। তার মধ্যে মেট্রোরেল ও পদ্মাসেতু প্রকল্পের কিছু পেমেন্ট বকেয়া পড়ে গেছে। তাই বেতন দেওয়া যায়নি।’

Comments

The Daily Star  | English

Battery-run rickshaw drivers set fire to police box in Kalshi

Battery-run rickshaw drivers set fire to a police box in the Kalshi area this evening following a clash with law enforcers in Mirpur-10 area

1h ago