'অপু দেখিয়ে দিচ্ছে, মানুষ হিসেবে বড় হওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ'

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গোটা দেশের স্থবির অবস্থায় শুরু থেকেই ক্রিকেটারদের অবস্থান বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। জাতীয় দলের নিয়মিত তারকা হতে শুরু করে প্রথম শ্রেণীর খেলোয়াড়রাও এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষদের সাহায্যার্থে। তবে এদের মধ্যে নাজমুল ইসলাম অপুর দিকটি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওয়ানডে সংস্করণের অধিনায়ক তামিম ইকবাল খানের। শুধু ক্রিকেটার হিসেবেই নয়, মানুষ হিসেবেও যে অপু অনেক বড়, তাই তার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গোটা দেশের স্থবির অবস্থায় শুরু থেকেই ক্রিকেটারদের অবস্থান বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে। জাতীয় দলের নিয়মিত তারকা হতে শুরু করে প্রথম শ্রেণীর খেলোয়াড়রাও এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষদের সাহায্যার্থে। তবে এদের মধ্যে নাজমুল ইসলাম অপুর দিকটি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওয়ানডে সংস্করণের অধিনায়ক তামিম ইকবাল খানের। শুধু ক্রিকেটার হিসেবেই নয়, মানুষ হিসেবেও যে অপু অনেক বড়, তাই তার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন অধিনায়ক।

পুরো দেশের মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে ভয়ানক অবস্থা নারায়ণগঞ্জের। দেশের এ জেলাটি থেকেই কোভিড-১৯ রোগের উত্থান। এখন পর্যন্ত এ জেলাতেই সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের খবর মিলেছে। মৃত্যুর সংখ্যাও অনেক। স্বাভাবিকভাবে এ অঞ্চলের প্রায় সব মিল কারখানা বন্ধ। বন্ধ নিম্নবিত্তদের আয়ের পথ। ফলে সাধারণ মানুষরা পড়েছেন সবচেয়ে বড় বিপাকে। সাহায্য-সহযোগিতা না হলে প্রায় অনাহারেই দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের। নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় খেলোয়াড় অপু তাই এ অবস্থার শুরু থেকেই নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তাদের সহযোগিতা করতে।

উপর এ নিরলস পরিশ্রমের প্রশংসা করে এদিন নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে তামিম লিখেছেন, 'ছবিতে নিজ হাতে চাল মেপে দিচ্ছেন যিনি, মানুষটিকে আপনারা অনেকেই চেনেন। মাঠে তার সেলিব্রেশন আপনাদের আনন্দ দিয়েছে অনেক সময়। এখন সে কাজ করে চলেছে অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। জাতীয় ক্রিকেটার নাজমুল ইসলাম অপু।'

'নারায়ণগঞ্জে করোনার এই ক্রান্তিকাল শুরুর সময় থেকেই অপু নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। নিজে যতটুকু পেরেছে ও অন্যদের সহায়তা নিয়ে দিনের পর দিন দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা দিয়ে চলেছে। আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি ওকে সহায়তা করার। আরও অনেকে করেছেন। এই প্রবল দুর্যোগের সময় দেশজুড়ে আরও অসংখ্য মানুষ এভাবে অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে আজ। অপুর যে দিকটি আমার খুব ভালো লেগেছে, সে উদ্যোগ নিয়েছে তো বটেই, নিজেই সবকিছু জোগাড় করে, মেপে, প্যাকেট করে, মানুষের দুয়ারে পৌঁছে দিচ্ছে। একবার-দুবার নয়, বারবার। একজন জাতীয় ক্রিকেটার যখন এভাবে মানবসেবায় ঝাঁপিয়ে পড়েন, সমাজকে তা খুব ভালো বার্তা দেয়।

'অনেক সময়ই আমাদেরকে বিচার করা হয় শুধু ক্রিকেট দিয়ে। অপু দেখিয়ে দিচ্ছে, মানুষ হিসেবে বড় হওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ!'

Comments

The Daily Star  | English

The taste of Royal Tehari House: A Nilkhet heritage

Nestled among the busy bookshops of Nilkhet, Royal Tehari House is a shop that offers students a delectable treat without burning a hole in their pockets.

1h ago