ইংল্যান্ডের হোম সিরিজ আয়োজন করতে চায় অস্ট্রেলিয়া!

করোনাভাইরাসের কারণে জুলাইয়ের ১ তারিখ পর্যন্ত ইংল্যান্ডে সব ধরনের পেশাদার ক্রিকেট স্থগিত করা হয়েছে। এই সময়সীমা আরও বাড়তে পারে। এমন অবস্থায় পুরো গ্রীষ্ম মৌসুম নিয়েই চিন্তায় পড়েছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। চলমান পরিস্থিতিতে তাদের সমাধানের পথ দেখাতে এগিয়ে এসেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

করোনাভাইরাসের কারণে জুলাইয়ের ১ তারিখ পর্যন্ত ইংল্যান্ডে সব ধরনের পেশাদার ক্রিকেট স্থগিত করা হয়েছে। এই সময়সীমা আরও বাড়তে পারে। এমন অবস্থায় পুরো গ্রীষ্ম মৌসুম নিয়েই চিন্তায় পড়েছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস  ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। চলমান পরিস্থিতিতে তাদের সমাধানের পথ দেখাতে এগিয়ে এসেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।

জুলাইয়ের ৪ তারিখ থেকে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে খেলতে ইংল্যান্ডে যাওয়ার কথা ছিল অস্ট্রেলিয়ার। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তা এখন শঙ্কায়। ইসিবির প্রধান নির্বাহী টম হ্যারিসন জানান, মৌসুম শেষ করতে একাধিক প্রস্তাব পাচ্ছেন তারা।

এদিকে সারের চেয়ারম্যান রিচার্ড থমসন জানান, আবুধাবি থেকেও ইসিবির কাছে প্রস্তাব এসেছে ম্যাচ আয়োজনের।

হ্যারিসন জানান কেবল অস্ট্রেলিয়াই নয়, প্রস্তাব এসেছে নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকেও, ‘অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকে আমাদের কাছে প্রস্তাব এসেছে। তা আলোচনার টেবিলে আছে।  আবুধাবির প্রস্তাব শুনিনি। তার মানে এও না যে তারা প্রস্তাব করেনি।’

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইট জানায়, অস্ট্রেলিয়া ইসিবিকে কি ধরনের প্রস্তাব দিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী কেভিন রবার্টস, হ্যারিসনসহ সদস্য অন্য সব দেশের সিইওর সঙ্গে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে গত সপ্তাহে আলোচনা করেছেন। সম্ভবত সেখানেই এই ব্যাপারে আলাপ হয়েছে তাদের।  

অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় হতে যাওয়া টি-২০ বিশ্বকাপ ও পরের বছর নিউজিল্যান্ডে মেয়েদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি আগের মতই আছে। টুর্নামেন্টগুলো যথা সময়ে হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী আয়োজকরা।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিইও রবার্টস আভাস দেন অগাস্টের আগে টি-২০ বিশ্বকাপ চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হবে না। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১৫ দলের যাতায়াত, ৭ ভেন্যুতে খেলা চালানোর নানা দিক নিয়ে পর্যালোচনা চলছে।

 

Comments