ফরিদপুরে ২ পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৫

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের খলিশপুটি গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের খলিশপুটি গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়া, আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খলিশপুটি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাঝারদিয়া ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য সাহেব আলী মোল্লার সঙ্গে একই ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লার বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল বিকালে ইউপি সদস্য সাহেব আলী মোল্লার সমর্থক হেমায়েত ফকির সাবেক ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লাকে গালাগালি করেন। এরই সূত্র ধরে আজ সকালে দুই পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র ও ইট নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

ইউপি সদস্য সাহেব আলী মোল্লা বলেন, ‘একটি সাধারণ ঘটনা নিয়ে মাস খানেক ধরে জাহিদ মোল্লার সঙ্গে আমার বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল বিকালে সেই ঘটনা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে সকালে সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে আমার পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন।’

সাবেক ইউপি সদস্য জাহিদ মোল্লা বলেন, ‘পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সাহেব মোল্লার সমর্থকদের সঙ্গে আমার সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে আমার পক্ষের পাঁচ জন আহত হন। তাদের মধ্যে তিন জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুই জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’

সালথা থানার ওসি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে খলিশপুটি গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

Comments

The Daily Star  | English

Economy with deep scars limps along

Business and industrial activities resumed yesterday amid a semblance of normalcy after a spasm of violence, internet outage and a curfew that left deep wounds in almost all corners of the economy.

5h ago