সেনা প্রশিক্ষণেও সেরা ছাত্র সন

খেলার মাঠে দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ড সন হিউং-মিনের দক্ষতার কথা সবাই জানেন। টটেনহ্যাম হটস্পার্সের হয়ে বহু যুদ্ধ জয়ের নায়ক তিনি। মাঠের সে খেলোয়াড় যোগ দিয়েছিলেন কোরিয়ান সেনাবাহিনীতে। আর সেখানেও দুর্দান্ত সাফল্য দেখিয়েছেন সন। ১৫৭ জন শিক্ষানবিশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন এ ফুটবল তারকা।
ছবি: এএফপি

খেলার মাঠে দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ড সন হিউং-মিনের দক্ষতার কথা কমবেশি সবাই জানে। টটেনহ্যাম হটস্পার্সের হয়ে বহু যুদ্ধ জয়ের নায়ক তিনি। হোসে মরিনহোর অন্যতম প্রিয় ছাত্র। মাঠের সে খেলোয়াড় যোগ দিয়েছিলেন কোরিয়ান সেনাবাহিনীতে। আর সেখানেও দুর্দান্ত সাফল্য দেখিয়েছেন সন। ১৫৭ জন শিক্ষানবিশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন এ ফুটবল তারকা।

সনের সাফল্যের ব্যাপারে দক্ষিণ কোরিয়ান নিউজ এজেন্সি ইয়নহাপকে মেরিন কর্পসের এক অফিসার বলেছেন, 'সে (সন) পিলসুং পদক পেয়েছে যেটা সেরা পারফর্মারদের দেওয়া পাঁচটি পুরষ্কারের মধ্যে একটি। সকল কোর্স ন্যায্য এবং কঠোরভাবে বিচার করা হয়েছে এবং তার সামরিক প্রশিক্ষণ কর্মকর্তারা বলেছিলেন যে তিনি প্রশিক্ষণটি বিশ্বস্ততার সঙ্গে করেছিলেন।'

মানসিক মূল্যায়নে সন পূর্ণ ১০০ পয়েন্ট পেয়েছেন। এছাড়া বাকি সব বিষয়ে দুর্দান্ত গ্রেড পেয়েছেন। এরমধ্যে শুটিং অনুশীলনে ১০টির মধ্যে ১০টিই নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হানেন। প্রশিক্ষণের এ সময়ে নানা বিষয় রপ্ত করেছেন সন। মাস্ক ছাড়াই কীভাবে কাঁদুনে গ্যাসে মধ্যে টিকে থাকতে হয় তা রপ্ত করা শিখেছেন। রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় এবং নিউক্লিয়ার চার ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য নিয়েও কাজ করা শিখেছেন। এছাড়াও ৪০ কেজি ভার নিয়ে ৩০ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিয়েছেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার নিয়ম অনুযায়ী সকল যুবককে বাধ্যতামূলক সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হয়। সেনাবাহিনীর অনুশীলনের পাশাপাশি নিয়োজিত থাকতে হয় জনকল্যাণমূলক কাজে। এর বাইরে নন কেউই। তবে ২০১৮ সালে এশিয়ান গেমসে দক্ষিণ কোরিয়াকে ফুটবলে স্বর্ণপদক এনে দেওয়ার কারণে বড় ছাড় পেয়ে দুই বছরের জায়গায় তিন সপ্তাহের জন্য অংশ নেন সন। সে কারণে গত ২০ এপ্রিল জেজু দ্বীপের দক্ষিণাংশে ৯ম বিগ্রেড মেরিন কর্পসে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

তবে কেবল প্রশিক্ষণ নেওয়ার প্রথম ধাপ পার করেছেন। সেনাবাহিনীতে আবারও যোগ দিতে হবে তাকে। ৩৪ মাস পর ৫৪৪ ঘণ্টা মিলিটারি সার্ভিস প্রদান করতে হবে এ ফুটবলারকে। চাইলে সেনাবাহিনীতে নেওয়া এ প্রশিক্ষণ আরও পরে নিতে পারতেন। কিন্তু বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ বন্ধ থাকায় অলস সময় কাটানোর চেয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়াটা বেছে নিয়েছিলেন তিনি।

Comments

The Daily Star  | English

Change Maker: A carpenter’s literary paradise

Right in the heart of Jhalakathi lies a library stocked with over 8,000 books of various genres -- history, culture, poetry, and more.

3h ago