লালমনিরহাট সীমান্তের ৪০০ পরিবারকে বিজিবি’র খাদ্য সহায়তা

লালমনিরহাটের মোগলহাট ও ঝাউরানী সীমান্তে সুবিধাবঞ্চিত চারশ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
সামাজিক দূরত্ব মেনেই খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে বিজিবি। ছবি: এস দিলীপ রায়

লালমনিরহাটের মোগলহাট ও ঝাউরানী সীমান্তে সুবিধাবঞ্চিত চারশ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পাঠানো খাদ্য সহায়তা এবং লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে আজ বুধবার দুপুরে দ্বিতীয় দফায় এসব ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে আছে চাল, ডাল, চিনি, তেল, চিড়া ও বিস্কুট। ঝাউরানী সীমান্তের আব্দুল লতিফ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ২০০ কর্মহীন ও দুস্থ সীমান্তবাসীর মাঝে খাদ্য সহায়তা তুলে দেন লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম তৌহিদুল আলম। মোগলহাট সীমান্তের নুরলদীন মুক্তমঞ্চ মাঠে ২০০ জন সীমান্তবাসির মাঝে খাদ্য সহায়তা তুলে দেন ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর এম এম শাহ আলম।

মোগলহাট সীমান্তের কর্মহীন সোলেমান আলী জানান, বিজিবি’র কাছে পাওয়া এ খাদ্য সহায়তা তার পরিবারের জন্য অনেক উপকারে আসবে। করোনার কারণে তারা কর্মহীন হয়ে বাড়িতে বসে আছেন। হাতে কোনো কাজ না থাকায় আয়ও নেই। ফলে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে।

একই সীমান্তের আনোয়ারা বেওয়া জানান, করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে তারা অনেক কষ্টে জীবনযাপন করছেন। কেউ তাদের খোঁজ রাখছে না। কিন্তু, বিজিবি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিজিবি’র এ খাদ্য সহায়তা পরিবারের তার পরিবারের জন্য খুব দরকার ছিল।

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম তৌহিদুল আলম বলেন, ‘বিজিবির সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা সীমান্তে অসহায় মানুষ, দিনমজুর শ্রমিক ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে। ফাউন্ডেশনটি দেশের ও মানুষের কল্যাণে কাজ করছে। সমাজের বিত্তশালীদের এগিয়ে আসতে হবে। তাদের সহযোগিতার হাত দেশের অসহায় মানুষের দিকে বাড়িয়ে দিতে হবে।’

Comments

The Daily Star  | English

Hefty power bill to weigh on consumers

The government has decided to increase electricity prices by Tk 0.70 a unit which according to experts will predictably make prices of essentials soar yet again ahead of Ramadan.

11m ago