শীর্ষ খবর

আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ-ভাঙচুর

​সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন, অর্জিত ছুটির টাকা এবং ঈদ বোনাসের দাবিতে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
বেতনের দাবিতে মেডলার অ্যাপারেলস এর শ্রমিকরা কারাখানার ফটকে তালা দিয়ে ভেতরে ভাঙচুর চালায়। ছবি: সংগৃহীত

সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন, অর্জিত ছুটির টাকা এবং ঈদ বোনাসের দাবিতে একটি তৈরি পোশাক কারখানায় বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

আজ বৃহস্পতিবার আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার মেডলার অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানার ভিতরে এ ঘটনা ঘটে।

শিল্প পুলিশ সূত্র জানায়, বেতনের দাবিতে শ্রমিকরা কারাখানার ফটকে তালা দিয়ে ভেতরে ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফটক কেটে ভেতরে ঢুকে জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করে।

শ্রমিকরা জানায়, এপ্রিল মাসের বেতন ও গত বছরের ছুটির টাকা পরিশোধের কথা ছিল ১২ মে। কিন্তু তারা সেদিন টাকা পরিশোধ না করে ১৩ এপ্রিল ইফতারের পরে দেওয়া হবে বলে জানান। কিন্তু ১৩ তারিখেও শ্রমিকদের পাওনা টাকা দেওয়া হয়নি। আজ সকাল ৮টার বেতন, ছুটির টাকা ও ঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে কারখানার ভেতরে অবস্থান নেন। মালিকপক্ষ থেকে আলোচনার কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ মূল ফটক কেটে কারখানা প্রবেশ করে জলকামান ও ১০ থেকে ১৫ রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ধাওয়া দিয়ে কারখানা থেকে বের করে দেয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারখানার এক নারী শ্রমিক দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, আজ ১৪ তারিখেও গত মাসের বেতন দেওয়া হয়নি। বেতন না পেলে আমরা খাবার পাব কোথায়? প্রচণ্ড অর্থকষ্টে বিক্ষোভ করতে বাধ্য হয়েছি।

এব্যাপারে কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফুর রহমান সিনহার মুঠোফোনে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি সাড়া দেননি। তার ফোনে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও প্রতিউত্তর মেলেনি।

যোগাযোগ করা হলে ঢাকা শিল্প পুলিশ-১ এর সহকারী পুলিশ সুপার জানে আলম খান দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, কারখানার ভেতরে ভাঙচুর শুরু হলে শ্রমিকদের প্রথমে অনুরোধ করা হয়েছিল। শ্রমিকরা অনুরোধ আমলে না নেওয়ায় মুল ফটক কেটে কারখানায় প্রবেশ করতে হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জলকামান এবং কয়েক রাউন্ড টিয়ার শেল নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে বেতন শ্রমিকদের ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়েছে। কিন্তু শ্রমিকরা বলছেন তারা এখনো বেতন পায়নি।

Comments

The Daily Star  | English

Consumers brace for price shocks

Consumers are bracing for multiple price shocks ahead of Ramadan that usually marks a period of high household spending.

8h ago