মেসি হতে পারতেন গেতাফের খেলোয়াড়

সিনিয়র পর্যায়ে লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের পুরোটা জুড়েই বার্সেলোনা। তবে শুরুর গল্পটা হয়তো ভিন্ন হতেও পারতো। কারণ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বার্সা অধিনায়ককে ধারে গেতাফেতে পাঠাতে চেয়েছিলেন তৎকালীন কোচ ফ্র্যাঙ্ক রাইকার্ড। এমনটাই বলেছেন গেতাফের প্রেসিডেন্ট আনহেল তোরেস।

সিনিয়র পর্যায়ে লিওনেল মেসির ক্যারিয়ারের পুরোটা জুড়েই বার্সেলোনা। তবে শুরুর গল্পটা হয়তো ভিন্ন হতেও পারতো। কারণ ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে বার্সা অধিনায়ককে ধারে গেতাফেতে পাঠাতে চেয়েছিলেন তৎকালীন কোচ ফ্র্যাঙ্ক রাইকার্ড। এমনটাই বলেছেন গেতাফের প্রেসিডেন্ট আনহেল তোরেস।

২০০১ সালে বার্সেলোনার একাডেমীতে যোগ দেন মেসি। বয়স তখন তার মাত্র ১৪। লা মেসিয়ায় থাকাকালীন সময়ে বার্সেলোনা সি ও বার্সেলোনা বি দলে খেলেছেন দুই মৌসুম ধরে। পরে ২০০৪ সালে সুযোগ হয় সিনিয়র দলে খেলার। যদিও সুযোগ মিলে খুব কমই। দলে তারকা খেলোয়াড়দের আধিক্যের কারণে মেসিকে ধারে পাঠানোর চিন্তা করেছিলেন রাইকার্ড।

সম্প্রতি মাদ্রিদভিত্তিক গণমাধ্যম মার্কাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফেতাফে প্রেসিডেন্ট বলেছেন, 'মেসির প্রথম এবং দ্বিতীয় বছরে (সিনিয়র দলে), আমরা তাকে ধারে দলে নেওয়ার খুব কাছাকাছি চলে এসেছিলাম।'

তবে শুরুতে মেসিকে ধারে পাঠানোর চিন্তা করলেও পরে তা থেকে ফিরে আসেন রাইকার্ড। তোরেসের ভাষায়, 'কিন্তু শেষ দিকে রাইকার্ড এটা মেনে নেয়নি এবং আমরা শুরু ইচ্ছাটা নিয়েই ফিরে এসেছিলাম।'

মূলত বার্সেলোনা বি দলে মেসির দারুণ পারফরম্যান্সের কারণেই নিজের চিন্তা থেকে সরে আসতে বাধ্য হন রাইকার্ড। আর সেই মেসি বর্তমানে বার্সেলোনার প্রাণ ভোমরা। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। জিতেছেন রেকর্ড ছয়টি ব্যালন ডি'অর।

তবে শুধু মেসিই নয়, বার্সেলোনার প্রথম হেক্সা জয়ী কোচ পেপ গার্দিওলাও হতে পারতেন গেতাফের কোচ। রাইকার্ডের উত্তরসূরি হিসেবে শুরুতে তৎকালীন বার্সা প্রেসিডেন্ট হুয়ান লাপোর্তা গার্দিওলার জায়গায় ডেনিশ কিংবদন্তি মাইকেল লাউড্রপকে পছন্দ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন তোরেস। পরে অবশ্য সিদ্ধান্ত বদলান লাপোর্তা।

'এক দিন সুইজারল্যান্ডে ইউরোপিয়ান ড্রয়ের সময়ে (বার্সেলোনার তৎকালীন স্পোর্টিং ডিরেক্টর) টিক্সিকি (বেগিরিস্তেইন) আমাকে প্রস্তাব দিয়েছিল তারা লাউড্রপকে চায়, তার পরিবর্তে গার্দিওলাকে দিবে। শুরুতে পেপের উপর আস্থা ছিল না লাপোর্তার।' -গার্দিওলাকে পাওয়ার ব্যাপারে এমনটাই বলেন তোরেস।

Comments

The Daily Star  | English

Consumers brace for price shocks

Consumers are bracing for multiple price shocks ahead of Ramadan that usually marks a period of high household spending.

58m ago