গঠনমূলক কিছু বলার না থাকলে মুখ বন্ধ রাখুন, ট্রাম্পকে হিউস্টনের পুলিশপ্রধান

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলমান বিক্ষোভের জেরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশে হিউস্টনের পুলিশপ্রধান আর্ট অ্যাকেভেডো বলেছেন, ‘আপনার যদি গঠনমূলক কিছু বলার না থাকে, তাহলে মুখ বন্ধ রাখুন। কারণ, ২০ বছর বয়স কিংবা এর আশপাশের বয়সের ছেলে-মেয়েদের আপনি ঝুঁকিতে ফেলছেন। এটা কর্তৃত্ব ফলানোর নয়, মানুষের হৃদয় ও মন জয় করার বিষয়।’
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও হিউস্টনের পুলিশপ্রধান আর্ট অ্যাকেভেডো। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলমান বিক্ষোভের জেরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশে হিউস্টনের পুলিশপ্রধান আর্ট অ্যাকেভেডো বলেছেন, ‘আপনার যদি গঠনমূলক কিছু বলার না থাকে, তাহলে মুখ বন্ধ রাখুন। কারণ, ২০ বছর বয়স কিংবা এর আশপাশের বয়সের ছেলে-মেয়েদের আপনি ঝুঁকিতে ফেলছেন। এটা কর্তৃত্ব ফলানোর নয়, মানুষের হৃদয় ও মন জয় করার বিষয়।’

‘স্পষ্টভাবে বলছি, আমরা মানুষকে দ্বিধায় ফেলতে চাই না। চলমান পরিস্থিতি থামানোর জন্য যদি আপনার কিছু বলার না থাকে, তাহলে কিছু বলা থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এটা নেতৃত্বের মৌলিক বৈশিষ্ট্য। অতীতের কোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে আমাদের নেতৃত্ব সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। এটা হলিউড নয়, বাস্তব জীবন’, যোগ করেন তিনি।

আমেরিকানদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দয়া করে পুলিশের সঙ্গেই থাকুন। সবাই একত্রেই থাকুন। আপনারা প্রতিবাদ করুন। শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করুন।’

সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভয়েজ অব আমেরিকার নিইউয়র্ক প্রতিনিধি আকবর হায়দার কিরণ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যে পুলিশি নির্যাতনে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে টানা সপ্তম দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। বর্তমানে ৭৫টির বেশি শহরে এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। কারফিউ আরোপ করা হয়েছে ৪০টির বেশি শহরে। ঘটেছে হতাহতের ঘটনাও।’

‘চলমান পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এর মধ্যে, বিক্ষোভকারীদের দমনে বল প্রয়োগ করতে দেশটির আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ন্যাশনাল গার্ডকেও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর ও মেয়রদেরকেও কঠোর অবস্থানে থাকতে বলেছেন ট্রাম্প’, বলেন তিনি।

নিউইয়র্কের সাংবাদিক নেহার সিদ্দিকী দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, নিউইয়র্কসহ বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভের সময়ে লুটপাটের ঘটনাও ঘটছে। বিক্ষোভ ও লুটপাট দমনে নিউইয়র্কে রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত কারফিউ দেওয়া হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English

Economy with deep scars limps along

Business and industrial activities resumed yesterday amid a semblance of normalcy after a spasm of violence, internet outage and a curfew left deep wounds on almost all corners of the economy.

54m ago