কুয়াকাটায় রিসোর্ট থেকে পড়ে চীনা নাগরিকের মৃত্যু

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের অভিজাত হোটেল সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলার ছয়তলা ভবনের ওপর থেকে পড়ে চীনা নাগরিক লি-চিং (৩২) মারা গেছেন।
নিহত চীনা নাগরিক লি-চিং এর পাসপোর্ট। ছবি: সোহরাব হোসেন

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রের অভিজাত হোটেল সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলার ছয়তলা ভবনের ওপর থেকে পড়ে চীনা নাগরিক লি-চিং (৩২) মারা গেছেন।

আজ সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত চীনা নাগরিক পাশ্ববর্তী বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় বাংলাদেশ-চায়নার যৌথ মালিকানায় নির্মাণাধীন কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিজনেস ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মেদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মেদ আলী বলেন,‘লি-চিংয়ের পাসপোর্ট থেকে জানা গেছে তার বাড়ি চীনের বেইজিং শহরের হেইলংজিয়াং এলাকায়।’

সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘লি-চিং কুয়াকাটার সিকদার রিসোর্টের উত্তর দিকের ভিলার ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে তিনি এ কক্ষটি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। কুয়াকাটা থেকে তালতলীতে গিয়ে দাপ্তরিক কাজ করতেন। দুপুরের দিকে তিনি রিসোর্টের লবিতে সিগারেট খান। এরপর চারতলায় ৫১২ নম্বর কক্ষে যান। এ কক্ষে তার এক বাংলাদেশি সহকর্মী থাকেন। হঠাৎ হোটেলের কর্মচারীরা ছয়তলা ভবনের সামনের দিকে ওপর থেকে কিছু পড়ার শব্দ শুনতে পায়। দৌড়ে গিয়ে দেখেন লি-চিং পড়ে আছে। ওপর থেকে পড়ায় তার মাথার খুলি ফেটে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে। মগজ বের হয়ে গেছে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’

কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহম্মেদ আলী বলেন, ‘ওই চীনা নাগরিক রিসোর্টটির ওপর থেকে পড়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। তবে কী কারণ বা কেন তিনি এভাবে মারা গেলের তা এখনই বলা যাচ্ছে না। ইতোমধ্যে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী পাঠানো হচ্ছে।’

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, ‘করোনার কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে কুয়াকাটা লকডাউন করা হয়েছে। সেখানে কোনো পর্যটক বা বিদেশীর থাকার কথা নয়। তিনি কীভাবে লকডাউন উপেক্ষা করে রিসোর্টটিতে অবস্থান করলেন এবং ওই রিসোর্টের কর্তৃপক্ষ কীভাবে তাকে থাকার সুযোগ দিল তা খতিয়ে দেখা হবে।’

Comments

The Daily Star  | English

Babar Ali: Another Bangladeshi summits Mount Everest

Before him, Musa Ibrahim (2010), M.A. Muhit (2011), Nishat Majumdar (2012), and Wasfia Nazreen (2012) successfully summited Mount Everest. Mohammed Khaled Hossain summited Mount Everest in 2013 but died on his way down

53m ago