এক মাসের ব্যবধানে হালদায় আবারও মা মাছের ডিম

দক্ষিণ এশিয়ায় রুই জাতীয় মাছের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে এক মাসের ব্যবধানে আবারও ডিম ছেড়েছে মা মাছ। গতকাল শুক্রবার ভোরে হালদা নদীর বারইঘোনা ও ছায়ারচর নামক এলাকায় এ ডিম ছাড়া হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
হালদা নদীতে আবারও ডিম ছেড়েছে মা মাছ। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ এশিয়ায় রুই জাতীয় মাছের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে এক মাসের ব্যবধানে আবারও ডিম ছেড়েছে মা মাছ। গতকাল শুক্রবার ভোরে হালদা নদীর বারইঘোনা ও ছায়ারচর নামক এলাকায় এ ডিম ছাড়া হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

গত ২২ মে হালদা নদী থেকে রেকর্ডসংখ্যক ২৫ হাজার ৫৩৬ কেজি ডিম সংগ্রহ করা হয়। যা গত এক যুগের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। তবে, দ্বিতীয়বার ডিমের সংখ্যা বেশি নয় বলে জানিয়েছেন ডিম সংগ্রহকারীরা।

হালদা নদীর অভিজ্ঞ ডিম সংগ্রহকারী হাটহাজারী উপজেলার রামদাশমুন্সির হাট এলাকার মোহাম্মদ ইলিয়াস দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আগে একসময় দফায় দফায় তিন বার মা মাছ ডিম দিত। জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে এখন সেটা ঘটে না।’

‘গতকাল হালদা নদীর দুই পয়েন্টে মা মাছ ডিম ছেড়েছে। যদিও পরিমাণে নগণ্য, তবে সেটাও আশা জাগানিয়া ঘটনা’, বলেন তিনি।

আজ গভীর রাতে ডিম সংগ্রহকারীরা ৩০টির মতো নৌকা নিয়ে ডিম সংগ্রহ করতে নেমেছেন। সর্বোচ্চ ১০ বালতি বা ১০০ কেজির মতো ডিম হবে বলে ধারণা ইলিয়াসের।

জানতে চাইলে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা লাভলি আক্তার দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘হালদায় শেষ রাতে মা মাছ ডিম ছেড়েছে। এটা অনেকটা নমুনা ডিমের মতো। আমরা নদীতে আছি। হিসাব করলে বলতে পারব কী পরিমাণ ডিম ছেড়েছে।’

হালদা বিশেষজ্ঞ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘এভাবে দ্বিতীয়বার ডিম দেওয়াটা আশাব্যঞ্জক ঘটনা। এটা হয়েছে কারণ আমরা ধারণা করছি হালদাতে মা মাছের স্টক বেড়েছে। অনেক মা মাছ বাকিদের চেয়ে দেরিতে ম্যাচিউরড হয়েছে। ফলে তারা পরে ডিম ছেড়েছে।’

আরও পড়ুন:

হালদায় রেকর্ড ২৫ হাজার ৫৩৬ কেজি ডিম সংগ্রহ

দীর্ঘ অপেক্ষার পর হালদায় ডিম ছেড়েছে মা মাছ

হালদায় মা মাছের ডিম সংগ্রহে সোনালি দিনের আশা

Comments

The Daily Star  | English

Old, unfit vehicles running amok

The bus involved in yesterday’s accident that left 14 dead in Faridpur would not have been on the road had the government not caved in to transport associations’ demand for allowing over 20 years old buses on roads.

6h ago