সাড়ে তিন মাস বন্ধের পর

কুয়াকাটার হোটেল-দোকান খুলছে ১ জুলাই

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে টানা সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল-মোটেলসহ পর্যটন-কেন্দ্রিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
Kuakata.jpg
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত। ছবি: স্টার ফাইল ফটো

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে টানা সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর কুয়াকাটার আবাসিক হোটেল-মোটেলসহ পর্যটন-কেন্দ্রিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে আগামী ১ জুলাই থেকে পর্যটন নির্ভর সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু হবে।

করোনার প্রাদুর্ভাব থেকে জনজীবন রক্ষার জন্য পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন গত ১৮ মার্চ কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় এখানকার সবকিছু বন্ধ ছিল।

কুয়াকাটায় প্রায় ১২০টি হোটেল-মোটেল রয়েছে। সেগুলো খোলার প্রস্তুতি হিসেবে গত ৫, ৬ ও ৯ জুন করোনাকালীন হোটেল-মোটেল ব্যবস্থাপনা ও পর্যটকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য কর্মীদের তিন দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

খাবার হোটেল মালিক-কর্মচারী, ভ্যান-অটোচালক, ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালকেরাও সে প্রশিক্ষণের আওতায় ছিলেন বলে জানিয়েছে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘একজন পর্যটক গাড়িসহ আসলে প্রথমে নির্দিষ্ট পোশাকে সজ্জিত হোটেল কর্মীরা গাড়িসহ মালামাল জীবাণুনাশক স্প্রে করে নেবে।’

গেস্টের কক্ষ আগে থেকেই স্বাস্থ্যবিধি অনুসারে ব্যবহার উপযোগী করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তিগণ একই কক্ষে অবস্থান করবেন।’

এ ছাড়াও, পর্যটন এলাকার ভ্যান, অটো, মোটরসাইকেলসহ যানবাহন ব্যবহারের আগে জীবাণুনাশক স্প্রে করার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

‘যানবাহনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে হবে। সৈকতে বেঞ্চিতে অবস্থানকালেও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ইতোমধ্যে হোটেল ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে জড়িত পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

কলাপাড়া ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, ‘করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেল ব্যবস্থাপনা করতে বলা হয়েছে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Comments