বার্সেলোনাতেই থাকছেন কৌতিনহো!

চলতি মৌসুমে ফিলিপ কৌতিনহোকে ধারে আর অন্য কোনো ক্লাবে পাঠাতে চায় না ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা। গত মৌসুম ধারে বায়ার্ন মিউনিখে খেলার পর আবার স্প্যানিশ ক্লাবটিতে খেলার সুযোগ মিলছে এ ব্রাজিলিয়ান তারকার। নতুন মৌসুমে কাতালান ক্লাবেই থাকছেন বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ গণমাধ্যম মার্কা।
ছবি: বার্সেলোনা

চলতি মৌসুমে ফিলিপ কৌতিনহোকে ধারে আর অন্য কোনো ক্লাবে পাঠাতে চায় না ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা। গত মৌসুম ধারে বায়ার্ন মিউনিখে খেলার পর আবার স্প্যানিশ ক্লাবটিতে খেলার সুযোগ মিলছে এ ব্রাজিলিয়ান তারকার। নতুন মৌসুমে কাতালান ক্লাবেই থাকছেন বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ গণমাধ্যম মার্কা।

তবে এ মৌসুমে একেবারেই যে বার্সা ছাড়ার সম্ভাবনা নেই, তাও নয়। তবে সেটা হতে হবে বেশ দারুণ কোনো প্রস্তাব। ধারে নয়, নিতে চাইলে পুরোপুরি কিনে নিতে হবে তাকে। প্রস্তাবটা হতে হবে ১০০ মিলিয়ন ইউরো কিংবা তারও বেশি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমনটা হলেই কেবল কৌতিনহোকে বিক্রি করবে কাতালান ক্লাবটি।

অথচ চলতি মৌসুমে তাকে বিক্রি করার জন্য এক সময় তার মূল্য কমিয়ে মাত্র ৬৯ মিলিয়ন ইউরো ধার্য করে দিয়েছিল বার্সেলোনা। সে মূল্যেও তাকে কেউ কিনেনি। বেশ কিছু ইংলিশ ক্লাব আগ্রহ দেখিয়েছিল। কিন্তু মূল্য কমাতে চাওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর যাওয়া হয়নি। ততদিনে বদলে যায় বার্সার কোচ। নতুন কোচ রোনাল্ড কোমানের পরিকল্পনায় ভালোভাবেই আছেন এ ব্রাজিলিয়ান। তাতে ফের ভাগ্য খোলে তার। 

আগের দিন কমানের অধীনে প্রথমবারের মতো অনুশীলন করেছেন কৌতিনহো। বায়ার্নের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলায় বাড়তি বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল তাকে। তাই শুরু থেকে অনুশীলনে যোগ দেননি। দুদিন আগে ব্রাজিল থেকে ফেরার পর করোনাভাইরাসের পিসিআর পরীক্ষা দেওয়ার পর গতকাল যোগ দেন অনুশীলনে।

২০১৭ সালে নেইমার বার্সেলোনা ছাড়ার পর থেকেই তার জায়গা পূরণ করতে কৌতিনহোকে কিনতে উঠেপড়ে লাগে বার্সেলোনা। পরে ২০১৮ সালের শীতকালীন দলবদলে লিভারপুল থেকে ১৪২ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে কৌতিনহোকে কিনেছিল দলটি। তবে দলের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হন এ ব্রাজিলিয়ান। শুরুতে কিছুটা ছন্দে থাকলেও ধীরে ধীরে নিজেকে হারিয়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে মূল একাদশের জায়গাই হারিয়ে ফেলেন। ফলে গত মৌসুমে তাকে ধারে বায়ার্নে পাঠায় ক্লাবটি। 

Comments

The Daily Star  | English

Lifts at public hospitals: Where Horror Abounds

Shipon Mia (not his real name) fears for his life throughout the hours he works as a liftman at a building of Sir Salimullah Medical College, commonly known as Mitford hospital, in the capital.

10h ago