পাটকল চালুর দাবিতে খুলনায় হাজারো শ্রমিকের গণমিছিল

অবিলম্বে পাটকল চালু ও আধুনিকায়নের দাবিতে খুলনার খালিশপুরে গণমিছিল কর্মসূচি পালন করেছেন পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। গণমিছিলে অংশ নেন কয়েক হাজার শ্রমিক।
রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল চালুর দাবিতে খুলনার খালিশপুরে গণমিছিল কর্মসূচি পালন করে পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। ছবি: দীপংকর রায়

অবিলম্বে পাটকল চালু ও আধুনিকায়নের দাবিতে খুলনার খালিশপুরে গণমিছিল কর্মসূচি পালন করেছেন পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদ। গণমিছিলে অংশ নেন কয়েক হাজার শ্রমিক।

আজ বুধবার বিকাল ৫টায় খুলনার খালিশপুরের প্লাটিনাম জুবিলি জুট মিল গেট থেকে গণমিছিল শুরু হয়ে বিআইডিসি রোড ধরে প্লাটিনাম জুট মিল, ক্রিসেন্ট জুট মিল, খালিশপুর জুট মিলের সামনে দিয়ে নতুন রাস্তার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

গণমিছিল শেষে আলোচনা সভায় নেতারা তাদের ১১ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

নেতারা বলেন, সরকারের অব্যবস্থাপনায় ডুবেছে পাটকল। সব মিলে পাটখাতে লোকসানের পরিমান ১০ হাজার কোটি টাকা। লোকসানের বোঝা বইতে না পেরে ২৪,৮৮৬ জন স্থায়ী শ্রমিকে স্বেচ্ছা অবসরে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে ১ জুলাই পাটকল বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডসেকে টাকা দেওয়া হলেও ৫৫ হাজার বদলি শ্রমিকদের কিছুই দেওয়া হচ্ছে না।

নেতার আরও বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকল বন্ধের জন্য বাংলাদেশ পাটের বিশ্ববাজার হারাচ্ছে, যার প্রভাব বেসরকারি জুট মিলগুলোর ওপরও পড়বে।

পাটকল রক্ষায় সম্মিলিত নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক কুদরত-ই-খুদা বলেন,'কেন মিলগুলো লোকসান হচ্ছে তার কারণগুলো চিহ্নিত হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু তা না করে মিলগুলো বন্ধ করা হলো। শ্রমিকদের কী হবে তা ভাবা হচ্ছে না।'

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ব বাজারে যখন পাটের চাহিদা বাড়ছে, বেসরকারি মিলগুলো যখন লাভবান হচ্ছে, ঠিক এসময় রাষ্ট্রীয় মিলগুলো বন্ধ ঘোষণা করা এবং পিপিপিতে পাটকল চালানোর সিদ্ধান্ত কতটুকু যৌক্তিক তা এখন বিবেচ্য বিষয়।

গণমিছিলে ও সভায় আরও বক্তৃতা করেন, সিপিবির সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য রুহিন হোসেন পিন্স, জাসদের খুলনার সমন্বয়কারী জনার্দন দত্ত নান্টু, সিপিবি নেতা মোশারেফ হোসেন, সমসের আলী, নজরুল ইসলাম।

Comments