বাংলাদেশের ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্ব গ্রহণে অপারগ ম্যাকমিলান

ম্যাকেঞ্জির মতো ম্যাকমিলানও পারিবারিক কারণে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ায় নতুন বিপাকে পড়ল বিসিবি।
craig-douglas-mcmillan
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে জটিলতা এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই এসেছে দুঃসংবাদ। গত মাসে টাইগারদের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ক্রেইগ ম্যাকমিলান দায়িত্ব গ্রহণ করছেন না। বাবার মৃত্যুর কারণে তার পক্ষে লঙ্কানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ‘ক্রেইগ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানিয়েছে যে, তার বাবা সম্প্রতি মারা গেছেন এবং এই শোকের সময়ে আসন্ন সফরে জাতীয় দলের ব্যাটিং পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে সম্ভব হবে না। আমরা তার অবস্থা পুরোপুরি বুঝতে পারছি। এই কঠিন সময়ে ক্রেইগ ও তার পরিবারের জন্য আমাদের সহানুভূতি থাকছে।’

নেইল ম্যাকেঞ্জি বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর গত ২৫ অগাস্ট ম্যাকমিলানকে কোচিং প্যানেলে যুক্ত করার কথা জানিয়েছিল বিসিবি। ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত নিজ দেশের জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালন করেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক এ ক্রিকেটার। এছাড়া ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে ক্যান্টারবারি ও মিডলসেক্স এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তার।

ব্যাটিং পরামর্শক নিযুক্ত হওয়ার পর বাংলাদেশের সঙ্গে সকল সংস্করণে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেছিলেন ম্যাকমিলান। দ্য ডেইলি স্টারের কাছে ৪৩ বছর বয়সী সাবেক এ ব্যাটসম্যান বলেছিলেন, ‘আমি দুটি বিশ্বকাপ ফাইনালসহ তিন সংস্করণেই নিউজিল্যান্ড দলের সঙ্গে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছি। সুতরাং, সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি আমি বিবেচনা করব।’

ম্যাকেঞ্জির মতো ম্যাকমিলানও পারিবারিক কারণে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ায় নতুন বিপাকে পড়ল বিসিবি। শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার মাঝে নতুন করে আবার ব্যাটিং পরামর্শক বা কোচ খুঁজতে হবে তাদের।

Comments

The Daily Star  | English

Doctors, engineers grab a third of civil admin jobs

The general cadre jobs in the civil service have become so lucrative that even medical and engineering graduates are queuing up for them, giving up careers in the two highly specialised fields.

9h ago