শীর্ষ খবর

বরখাস্ত মেয়রের বিরুদ্ধে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মামলা

শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পাবনার বেড়া পৌরসভার বরখাস্ত মেয়র আব্দুল বাতেনের বিরুদ্ধে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামলা দায়ের করেছেন। গতকাল রাতে আসিফ আনাম সিদ্দিকী নিজে বাদী হয়ে বেড়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১১।
Mayor_Abdul_Baten.jpg
পাবনার বেড়া পৌরসভার বরখাস্ত মেয়র আব্দুল বাতেন | ছবি: সংগৃহীত

শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে পাবনার বেড়া পৌরসভার বরখাস্ত মেয়র আব্দুল বাতেনের বিরুদ্ধে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামলা দায়ের করেছেন। গতকাল রাতে আসিফ আনাম সিদ্দিকী নিজে বাদী হয়ে বেড়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১১।

এর আগে দুপুরে বেড়া পৌরসভা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন আব্দুল বাতেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ফারুক হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে আব্দুল বাতেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

আসিফ আনাম সিদ্দিকী দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় বেড়া পৌর মেয়র নগরবাড়ী ঘাট ও কাজীরহাট ঘাট ইজারা সংক্রান্ত বিষয়ে বেআইনি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সে বিষয়ে আইনি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। ১২ অক্টোবর আইন-শৃঙ্খলা সভায় একই বিষয়ে আবারও কথা উঠলে আমি আইন বহির্ভূত কাজ করতে অস্বীকৃতি জানাই। সে সময় বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন আমাকে লাঞ্ছিত করেন।’

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কাশেম বলেন, ‘মামলাটি রুজু হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।’

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও পাবনা-১ আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকুর ছোট ভাই আব্দুল বাতেন দীর্ঘ দিন ধরে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য সমালোচিত হয়ে আসছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা পরিচালনা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ক্ষমতার অপব্যবহার করায় সম্প্রতি তাকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল পদ থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে।

Comments

The Daily Star  | English
Corruption in Bangladesh civil service

The nine lives of a corrupt public servant

Let's delve into the hypothetical lifelines in a public servant’s career that help them indulge in corruption.

6h ago